25/06/2026
ভেনিজুয়েলাতে কোন মেঘা সিটি নাই! ঢাকার মতো ছোট্ট একটা শহরে ২১ লাখ ঝুঁকিপূর্ণ ভবনও নাই।
বিল্ডিং কোড না মাইন্না কেউ বিল্ডিং করে নাই!
৫ তলার ফাউন্ডেশন নিয়া কেউ ৬ তলা করে নাই।
চিপাচাপা ,অলিগলিতে রাস্তা না রাইখা বিল্ডিং করে নাই!
তারপরেও মাত্র ৪০ সেকেন্ডে একটা ভূমিকম্পে কয়েকটা শহর মাটির সাথে মিশাইয়া দিছে।
২০ তলা, ১৫ তলার শক্তিশালী ভবন পর্যন্ত ডেসট্রই করে দিছে। ভেনিজুয়েলার মানুষ রক্তের কান্না কানতেছে।
হয়তো এই ভূমিকম্প তাদের ২০ বছর পিছিয়ে দিবে।
হাজার হাজার মানুষের প্রাণ কেড়ে নিবে।
একবার ভাবেন!
ছোট্ট একটা দেশে বিশেষ করে ঢাকা, চট্টগ্রাম আর সিলেট শহরে অবন্থা!
৬.৯ মাত্রার উপরে ভূমিকম্প হলে শুধু ঢাকা শহরের ৬০% ভবন মাটির সাথে মিশে যাবে। মানে প্রায় ২১ লাখ ভবন! তথ্যটা দিচ্ছে (রাজউক)
২১ লাখ ভবনে কতো কোটি মানুষ থাকে একবার ভেবে দেখছেন?
ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞরা বার বার সতর্ক করছে,বাংলাদেশ ভূমিকম্প ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল!
দুদিন পর পর ভূমিকম্প লাড়াও দিচ্ছে!
কিন্তু আফসোস!
রাষ্ট্রযন্ত্র থেকে শুরু করে আমরা কেউ সচেতন না!
সচেতনতার ছিটেফোঁটাও আমাদের মধ্যে নাই।
মাত্র দুইদিন আগে চিল্লাইয়া বলছিলাম, ঢাকা শহরটা একটা টাইম বো**মার উপরে দাড়ানো!
না ভাই শুধু ঢাকা না! পুরো বাংলাদেশটা।
ভেনিজুয়েলার মতো ৭.১ আর ৭.৫ মাত্রার ভূমিকম্প হলে পুরো বাংলাদেশের শহরগুলোতে জাহান্নাম নেমে আসবে।
এই মৃত্যুপুরীতে রাজনৈতিক নেতা, আমলা, এলিট, ,ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার ,সাংবাদিক ,শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, গবেষক ,দেশের সাধারণ ,অসাধারণ প্রত্যেকটা শ্রেণী পেশার মানুষ কেউ বাঁচবে না!
এই নিয়া সংসদে আলাপ নাই! বুদ্ধিজীবী ,শিক্ষক, গবেষক ,সাংবাদিক, আমলা দেশের সচেতন মানুষ! কেউ পাত্তাই দিচ্ছে না!
কোন প্ল্যান ,পলিসি নাই! অলিগলি চিপাচাপায় নামে বেনামে মা-বাপহীন দেশের মতো শুধু বিল্ডিং আর বিল্ডিং হচ্ছে।
এমন একটা দিন আসবে ,হয়তো আপনার দেহটা বিল্ডিংয়ের চিপায় আটকে আছে প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছে।
কিন্তু আপনাকে উদ্ধার করার মতো লোক নাই। লজিস্টিক সাপোর্ট আর Equipment নাই। জনবল নাই! প্রশিক্ষণ নাই!
হাসপাতাল ,ফার্মেসীও ধসে পড়বে! ডাক্তার নার্সও নিজের জীবন নিয়া ছুটাছুটি করবে।(কারণ উনারা প্রায় ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে থাকছে )
থাকবে শুধু চিৎকার! পৃথিবীর সবচেয়ে বড় অসহায়ত্বের চিৎকার! রক্তের কান্না করবেন।
এছাড়া আমাদের রিয়েলাইজেশন নাই!
পাপের ফল প্রাকৃতিক দুর্যোগ (ভূমিকম্প ) জানি কিন্তু মানি না!
তারপরেও আমরা আজকে এক ঘরে তিনজনরে বাসায় ঢুকে হত্যা করছি।
ক্লাস ৮ এর বাচ্চা মেয়েটারে ধর্ষণ করে মেরে জঙ্গলে ঝুলিয়ে দিচ্ছি।
রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় একজন আরেকজনে মেরে ফেলছি।
প্রকাশ্যে দিবালোকে কোটি কোটি টাকার ঘোষ বানিজ্য হচ্ছে।
অর্থ পাচার হচ্ছে! ব্যবসায়ীরা মানুষরে ঠকাচ্ছে। খাবারে ভেজাল মেশাচ্ছে।
দেশের মেক্মিমাম মানুষ বসেই আছে সুযোগে আরেকজনকে মেরে নিজে বড় হইতে।
কিসের ধর্ম, কিসের নীতিনৈতিকতা কেউ কিচ্ছু মানছে না!
আমার প্রায় মনে হয় আমরা দুর্নীতিগ্রস্ত জাতি বড় একটা ডিজিস্টার ডিজার্ভ করি! শীঘ্রই আমাদের কৃতকর্মের ফল হয়তো গোটা জাতি উপভোগ করবো!
তার আগে হয়তো আমরা বদলাবো না!
"বারবার ওয়ার্নিং আসতেছে, বারবার সুযোগ পাচ্ছি। তবু অকৃতজ্ঞের মতো বারবারই অবহেলা করে যাচ্ছি।
হয়তো এটাই শেষ সুযোগ ছিলো শুধরানোর! হয়তো এটাই শেষ সুযোগ ছিলো"!
সংগৃহীত