19/02/2026
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ২৯৬টি আসনের গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। এই ফলাফলের ভিত্তিতে সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সম্ভাব্য বণ্টন নির্ধারণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বর্তমান হিসাব অনুযায়ী, বিএনপি জোট প্রায় ৩৫টি সংরক্ষিত নারী আসন এবং জামায়াত জোট প্রায় ১৩টি সংরক্ষিত নারী আসন পেতে পারে।
সাধারণ আসনে বিএনপি পেয়েছে ২০৯টি, জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি, এনসিপি ৬টি আসন। এছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস পেয়েছে ২টি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ১টি, গণঅধিকার পরিষদ ১টি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ১টি, গণসংহতি আন্দোলন ১টি এবং খেলাফত মজলিস ১টি আসন। এর বাইরে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৭টি আসনে বিজয়ী হয়েছেন।
আইন অনুযায়ী, সংসদে একটি সংরক্ষিত নারী আসন পেতে কমপক্ষে ছয়জন নির্বাচিত সংসদ সদস্য থাকা প্রয়োজন। সে কারণে স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও চাইলে কোনো জোটে যুক্ত হয়ে সংরক্ষিত নারী আসনের যোগ্যতা অর্জন করতে পারেন। তবে তারা কোনো জোটে যোগ দিলে আসন বণ্টনের হিসাব পরিবর্তিত হতে পারে।
কিছু আসনের ফলাফল এখনো চূড়ান্ত হয়নি। চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের গেজেট স্থগিত, বগুড়া-৬ আসন শূন্য ঘোষণা, এবং শেরপুর-৩ আসনে ভোট স্থগিত থাকায় এসব আসনের চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পর সংরক্ষিত নারী আসনের সংখ্যা বাড়তে বা কমতে পারে।
সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদে মোট ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসন রয়েছে। সাধারণ নির্বাচনের ফল গেজেট প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে এসব আসনের নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। এ নির্বাচনে ভোট দেবেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা, এবং দল বা জোট তাদের প্রাপ্ত আসনের অনুপাতে প্রার্থী মনোনয়ন দেবে। একক প্রার্থী থাকলে ভোট ছাড়াই নির্বাচিত হবেন, একাধিক হলে ভোটের মাধ্যমে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।