ChasiBD

ChasiBD সততা আমাদের ব্যবসার মূল শক্তি কাস্টমারকে খাঁটি পণ্য দিব ইনশাআল্লাহ। ভালো খাবেন সুস্থ থাকবেন

21/09/2024

✅সীমিত সময়ের অফার প্রিমিয়াম কোয়ালিটির ১ কেজি সজিনা পাতার গুড়া মাত্র ৮০০ টাকা ডেলিভারি চার্জ সারা দেশের সম্পূর্ণ ফ্রি সীমিত সময়ের অফার...।

🌿মরিঙ্গা পাউডার কি আসলেই উপকারী, কী বলছেন পুষ্টিবিদেরা:
🌿মরিঙ্গা পাউডার বা শজনেগাছের পাতাকে বলা হয় অলৌকিক পাতা। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে পুষ্টিকর হার্ব। এ জন্য গবেষকেরা শজনপাতাকে ‘নিউট্রিশনস সুপার ফুড’ উপাধি দিয়েছেন, একই সঙ্গে শজনেগাছকে বলা হচ্ছে মিরাকল ট্রি।

🌿প্রতি গ্রাম শজনেপাতায় একটি কমলার চেয়ে সাত গুণ বেশি ভিটামিন সি ও দুই গুণ বেশি প্রোটিন থাকে। গাজরের চেয়ে চার গুণ বেশি ভিটামিন এ এবং কলার চেয়ে তিন গুণ বেশি পটাশিয়াম বিদ্যমান আছে শজনেপাতায়। ফলে এটি অন্ধত্ব, রক্তস্বল্পতাসহ বিভিন্ন ভিটামিনের ঘাটতিজনিত রোগের বিরুদ্ধে বিশেষ হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে।

🌿শজনেপাতায় গাজরের চেয়ে বেশি ভিটামিন এ এবং শাকের চেয়ে বেশি আয়রন রয়েছে। পুষ্টির পরিমাণ কাছাকাছি বলে কেউ প্রতিদিন দুধ খেতে না পারলে এক চামচ করে শজনেপাতার গুঁড়া খেতে পারেন।
এতে প্রচুর জিংক থাকে এবং পালংশাকের চেয়ে তিন গুণ বেশি আয়রন বিদ্যমান, যা অ্যানিমিয়া দূরীকরণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। শজনে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও অবদান রাখে।

🌿মানুষের শরীরের প্রায় ২০ শতাংশ প্রোটিন, যার গাঠনিক একক হলো অ্যামাইনো অ্যাসিড। শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মেটাবলিজম এবং অন্য শারীরবৃত্তীয় কার্যাবলি পরিপূর্ণরূপে সম্পাদনে অ্যামাইনো অ্যাসিড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মানুষের শরীরের যে ৯টি অ্যামাইনো অ্যাসিড খাদ্যের মাধ্যমে সরবরাহ করতে হয়, তার সব কটিই এই মরিঙ্গার মধ্যে বিদ্যমান।

🌿ইউএসডিএর মতে, ১০ গ্রাম শজনেপাতায় ১৫০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম (ডেইলি ভ্যালু ১৫ শতাংশ), ২ মিলিগ্রাম আয়রন (ডেইলি ভ্যালু ১১ শতাংশ), ১৬০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম ও ৩ গ্রাম প্রোটিন আছে।
🌿হাজার গুণের এক পাতা
মানবদেহে যেসব উপাদানের নিয়মিত প্রয়োজন, তার সবই শজনেপাতায় আছে। এ পাতায় প্ল্যান্ট প্রোটিন ও আয়রনের উপস্থিতি বেশি। এটিকে শুকিয়ে গুঁড়া করে খাওয়া হলে পুষ্টিগুণ ঠিক থাকবে, একদম নষ্ট হবে না।

🌿শজনেপাতা শরীরে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ডায়াবেটিসের মতো কঠিন রোগের বিরুদ্ধে কাজ করে। নিয়ম করে দৈনিক শজনেপাতার গুঁড়া সেবন করলে শরীরের প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করে এবং ‘ইমিউনিটি স্টিমুল্যান্ট’ হিসেবে কাজ করে।

🌿 এটি শরীরের হজমক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। শরীরের ওজন কমাতে ব্যায়ামের পাশাপাশি নিয়মিত শজনেপাতার গুঁড়া খেলে কার্যকরী ফল মেলে। শজনেপাতা মায়ের বুকের দুধ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে কোনো ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই। ১ টেবিল চামচ শজনেপাতার গুঁড়ায় ১৪ শতাংশ প্রোটিন, ৪০ শতাংশ ক্যালসিয়াম, ২৩ শতাংশ আয়রন বিদ্যমান।

🌿৬ টেবিল চামচ মরিঙ্গা পাউডার একজন অন্তঃসত্ত্বা এবং স্তন্যদায়ী মায়ের প্রতিদিনের আয়রন এবং ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ করে। শজনেপাতার গুঁড়ায় অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। এটি যকৃৎ ও কিডনি সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। সৌন্দর্যবর্ধক হিসেবেও কাজ করে শজনেপাতা। শজনেতে ৯০টিরও বেশি এবং ৪৬ রকমের অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট বিদ্যমান।

🌿এতে ৩৬টির মতো অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য আছে। এ ছাড়া এটি অকালবার্ধক্যজনিত সমস্যা দূর করে, ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে দারুণ কার্যকর।

🌿এখানেই শেষ নয়, শজনেপাতায় রয়েছে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট, যা আপনার কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি ও শরীরের বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে আপনার দেহকে শক্তিশালী করতে সহায়তা করে। নিয়মিত শজনেপাতার পাউডার খেলে আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। করোনা প্রতিরোধে শজনেপাতা ও ফল উভয় খুব গুরুত্বপূর্ণ।

🔰 আমাদের প্রোডাক্ট সম্পর্কে আপনার মূল্যবান মতামত দিতে অথবা আমাদের সম্মানিত কাস্টমারদের মতামত জানতে আমাদের ফেসবুক গ্রুপটিতে জয়েন করুন👇

https://www.facebook.com/groups/1840645816370317/

🇧🇩 অর্ডার করতে কল করুন ☎️ 01407372572
🇧🇩 অথবা অর্ডার করতে এখানে ক্লিক করুন👉👉 https://chasibd.com/store-checkout-03/

02/09/2024

🍀মরিঙ্গা পাউডার কি আসলেই উপকারী, কী বলছেন পুষ্টিবিদেরা:
🍀মরিঙ্গা পাউডার বা শজনেগাছের পাতাকে বলা হয় অলৌকিক পাতা। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে পুষ্টিকর হার্ব। এ জন্য গবেষকেরা শজনপাতাকে ‘নিউট্রিশনস সুপার ফুড’ উপাধি দিয়েছেন, একই সঙ্গে শজনেগাছকে বলা হচ্ছে মিরাকল ট্রি।

🌿প্রতি গ্রাম শজনেপাতায় একটি কমলার চেয়ে সাত গুণ বেশি ভিটামিন সি ও দুই গুণ বেশি প্রোটিন থাকে। গাজরের চেয়ে চার গুণ বেশি ভিটামিন এ এবং কলার চেয়ে তিন গুণ বেশি পটাশিয়াম বিদ্যমান আছে শজনেপাতায়। ফলে এটি অন্ধত্ব, রক্তস্বল্পতাসহ বিভিন্ন ভিটামিনের ঘাটতিজনিত রোগের বিরুদ্ধে বিশেষ হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে।

🌿শজনেপাতায় গাজরের চেয়ে বেশি ভিটামিন এ এবং শাকের চেয়ে বেশি আয়রন রয়েছে। পুষ্টির পরিমাণ কাছাকাছি বলে কেউ প্রতিদিন দুধ খেতে না পারলে এক চামচ করে শজনেপাতার গুঁড়া খেতে পারেন।
এতে প্রচুর জিংক থাকে এবং পালংশাকের চেয়ে তিন গুণ বেশি আয়রন বিদ্যমান, যা অ্যানিমিয়া দূরীকরণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। শজনে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও অবদান রাখে।

🌿মানুষের শরীরের প্রায় ২০ শতাংশ প্রোটিন, যার গাঠনিক একক হলো অ্যামাইনো অ্যাসিড। শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মেটাবলিজম এবং অন্য শারীরবৃত্তীয় কার্যাবলি পরিপূর্ণরূপে সম্পাদনে অ্যামাইনো অ্যাসিড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মানুষের শরীরের যে ৯টি অ্যামাইনো অ্যাসিড খাদ্যের মাধ্যমে সরবরাহ করতে হয়, তার সব কটিই এই মরিঙ্গার মধ্যে বিদ্যমান।

🌿ইউএসডিএর মতে, ১০ গ্রাম শজনেপাতায় ১৫০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম (ডেইলি ভ্যালু ১৫ শতাংশ), ২ মিলিগ্রাম আয়রন (ডেইলি ভ্যালু ১১ শতাংশ), ১৬০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম ও ৩ গ্রাম প্রোটিন আছে।
🌿হাজার গুণের এক পাতা
মানবদেহে যেসব উপাদানের নিয়মিত প্রয়োজন, তার সবই শজনেপাতায় আছে। এ পাতায় প্ল্যান্ট প্রোটিন ও আয়রনের উপস্থিতি বেশি। এটিকে শুকিয়ে গুঁড়া করে খাওয়া হলে পুষ্টিগুণ ঠিক থাকবে, একদম নষ্ট হবে না।

🌿শজনেপাতা শরীরে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ডায়াবেটিসের মতো কঠিন রোগের বিরুদ্ধে কাজ করে। নিয়ম করে দৈনিক শজনেপাতার গুঁড়া সেবন করলে শরীরের প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করে এবং ‘ইমিউনিটি স্টিমুল্যান্ট’ হিসেবে কাজ করে।

🌿 এটি শরীরের হজমক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। শরীরের ওজন কমাতে ব্যায়ামের পাশাপাশি নিয়মিত শজনেপাতার গুঁড়া খেলে কার্যকরী ফল মেলে। শজনেপাতা মায়ের বুকের দুধ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে কোনো ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই। ১ টেবিল চামচ শজনেপাতার গুঁড়ায় ১৪ শতাংশ প্রোটিন, ৪০ শতাংশ ক্যালসিয়াম, ২৩ শতাংশ আয়রন বিদ্যমান।

🌿৬ টেবিল চামচ মরিঙ্গা পাউডার একজন অন্তঃসত্ত্বা এবং স্তন্যদায়ী মায়ের প্রতিদিনের আয়রন এবং ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ করে। শজনেপাতার গুঁড়ায় অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। এটি যকৃৎ ও কিডনি সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। সৌন্দর্যবর্ধক হিসেবেও কাজ করে শজনেপাতা। শজনেতে ৯০টিরও বেশি এবং ৪৬ রকমের অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট বিদ্যমান।

🌿এতে ৩৬টির মতো অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য আছে। এ ছাড়া এটি অকালবার্ধক্যজনিত সমস্যা দূর করে, ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে দারুণ কার্যকর।

🌿এখানেই শেষ নয়, শজনেপাতায় রয়েছে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট, যা আপনার কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি ও শরীরের বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে আপনার দেহকে শক্তিশালী করতে সহায়তা করে। নিয়মিত শজনেপাতার পাউডার খেলে আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। করোনা প্রতিরোধে শজনেপাতা ও ফল উভয় খুব গুরুত্বপূর্ণ।

🔰 আমাদের প্রোডাক্ট সম্পর্কে আপনার মূল্যবান মতামত দিতে অথবা আমাদের সম্মানিত কাস্টমারদের মতামত জানতে আমাদের ফেসবুক গ্রুপটিতে জয়েন করুন👇

https://www.facebook.com/groups/1840645816370317/

🇧🇩 অর্ডার করতে কল করুন ☎️ 01407372572
🇧🇩 অথবা অর্ডার করতে এখানে ক্লিক করুন👉👉 https://chasibd.com/store-checkout-03/

24/08/2024

🍀মরিঙ্গা পাউডার কি আসলেই উপকারী, কী বলছেন পুষ্টিবিদেরা:
🍀মরিঙ্গা পাউডার বা শজনেগাছের পাতাকে বলা হয় অলৌকিক পাতা। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে পুষ্টিকর হার্ব। এ জন্য গবেষকেরা শজনপাতাকে ‘নিউট্রিশনস সুপার ফুড’ উপাধি দিয়েছেন, একই সঙ্গে শজনেগাছকে বলা হচ্ছে মিরাকল ট্রি।

🌿প্রতি গ্রাম শজনেপাতায় একটি কমলার চেয়ে সাত গুণ বেশি ভিটামিন সি ও দুই গুণ বেশি প্রোটিন থাকে। গাজরের চেয়ে চার গুণ বেশি ভিটামিন এ এবং কলার চেয়ে তিন গুণ বেশি পটাশিয়াম বিদ্যমান আছে শজনেপাতায়। ফলে এটি অন্ধত্ব, রক্তস্বল্পতাসহ বিভিন্ন ভিটামিনের ঘাটতিজনিত রোগের বিরুদ্ধে বিশেষ হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে।

🌿শজনেপাতায় গাজরের চেয়ে বেশি ভিটামিন এ এবং শাকের চেয়ে বেশি আয়রন রয়েছে। পুষ্টির পরিমাণ কাছাকাছি বলে কেউ প্রতিদিন দুধ খেতে না পারলে এক চামচ করে শজনেপাতার গুঁড়া খেতে পারেন।
এতে প্রচুর জিংক থাকে এবং পালংশাকের চেয়ে তিন গুণ বেশি আয়রন বিদ্যমান, যা অ্যানিমিয়া দূরীকরণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। শজনে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও অবদান রাখে।

🌿মানুষের শরীরের প্রায় ২০ শতাংশ প্রোটিন, যার গাঠনিক একক হলো অ্যামাইনো অ্যাসিড। শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মেটাবলিজম এবং অন্য শারীরবৃত্তীয় কার্যাবলি পরিপূর্ণরূপে সম্পাদনে অ্যামাইনো অ্যাসিড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মানুষের শরীরের যে ৯টি অ্যামাইনো অ্যাসিড খাদ্যের মাধ্যমে সরবরাহ করতে হয়, তার সব কটিই এই মরিঙ্গার মধ্যে বিদ্যমান।

🌿ইউএসডিএর মতে, ১০ গ্রাম শজনেপাতায় ১৫০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম (ডেইলি ভ্যালু ১৫ শতাংশ), ২ মিলিগ্রাম আয়রন (ডেইলি ভ্যালু ১১ শতাংশ), ১৬০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম ও ৩ গ্রাম প্রোটিন আছে।
🌿হাজার গুণের এক পাতা
মানবদেহে যেসব উপাদানের নিয়মিত প্রয়োজন, তার সবই শজনেপাতায় আছে। এ পাতায় প্ল্যান্ট প্রোটিন ও আয়রনের উপস্থিতি বেশি। এটিকে শুকিয়ে গুঁড়া করে খাওয়া হলে পুষ্টিগুণ ঠিক থাকবে, একদম নষ্ট হবে না।

🌿শজনেপাতা শরীরে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ডায়াবেটিসের মতো কঠিন রোগের বিরুদ্ধে কাজ করে। নিয়ম করে দৈনিক শজনেপাতার গুঁড়া সেবন করলে শরীরের প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করে এবং ‘ইমিউনিটি স্টিমুল্যান্ট’ হিসেবে কাজ করে।

🌿 এটি শরীরের হজমক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। শরীরের ওজন কমাতে ব্যায়ামের পাশাপাশি নিয়মিত শজনেপাতার গুঁড়া খেলে কার্যকরী ফল মেলে। শজনেপাতা মায়ের বুকের দুধ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে কোনো ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই। ১ টেবিল চামচ শজনেপাতার গুঁড়ায় ১৪ শতাংশ প্রোটিন, ৪০ শতাংশ ক্যালসিয়াম, ২৩ শতাংশ আয়রন বিদ্যমান।

🌿৬ টেবিল চামচ মরিঙ্গা পাউডার একজন অন্তঃসত্ত্বা এবং স্তন্যদায়ী মায়ের প্রতিদিনের আয়রন এবং ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ করে। শজনেপাতার গুঁড়ায় অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। এটি যকৃৎ ও কিডনি সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। সৌন্দর্যবর্ধক হিসেবেও কাজ করে শজনেপাতা। শজনেতে ৯০টিরও বেশি এবং ৪৬ রকমের অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট বিদ্যমান।

🌿এতে ৩৬টির মতো অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য আছে। এ ছাড়া এটি অকালবার্ধক্যজনিত সমস্যা দূর করে, ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে দারুণ কার্যকর।

🌿এখানেই শেষ নয়, শজনেপাতায় রয়েছে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট, যা আপনার কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি ও শরীরের বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে আপনার দেহকে শক্তিশালী করতে সহায়তা করে। নিয়মিত শজনেপাতার পাউডার খেলে আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। করোনা প্রতিরোধে শজনেপাতা ও ফল উভয় খুব গুরুত্বপূর্ণ।

🔰 আমাদের প্রোডাক্ট সম্পর্কে আপনার মূল্যবান মতামত দিতে অথবা আমাদের সম্মানিত কাস্টমারদের মতামত জানতে আমাদের ফেসবুক গ্রুপটিতে জয়েন করুন👇

https://www.facebook.com/groups/1840645816370317/

🇧🇩 অর্ডার করতে কল করুন ☎️ 01407372572
🇧🇩 অথবা অর্ডার করতে এখানে ক্লিক করুন👉👉 https://chasibd.com/store-checkout-03/

23/08/2024

🍀মরিঙ্গা পাউডার কি আসলেই উপকারী, কী বলছেন পুষ্টিবিদেরা:
🍀মরিঙ্গা পাউডার বা শজনেগাছের পাতাকে বলা হয় অলৌকিক পাতা। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে পুষ্টিকর হার্ব। এ জন্য গবেষকেরা শজনপাতাকে ‘নিউট্রিশনস সুপার ফুড’ উপাধি দিয়েছেন, একই সঙ্গে শজনেগাছকে বলা হচ্ছে মিরাকল ট্রি।

🌿প্রতি গ্রাম শজনেপাতায় একটি কমলার চেয়ে সাত গুণ বেশি ভিটামিন সি ও দুই গুণ বেশি প্রোটিন থাকে। গাজরের চেয়ে চার গুণ বেশি ভিটামিন এ এবং কলার চেয়ে তিন গুণ বেশি পটাশিয়াম বিদ্যমান আছে শজনেপাতায়। ফলে এটি অন্ধত্ব, রক্তস্বল্পতাসহ বিভিন্ন ভিটামিনের ঘাটতিজনিত রোগের বিরুদ্ধে বিশেষ হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে।

🌿শজনেপাতায় গাজরের চেয়ে বেশি ভিটামিন এ এবং শাকের চেয়ে বেশি আয়রন রয়েছে। পুষ্টির পরিমাণ কাছাকাছি বলে কেউ প্রতিদিন দুধ খেতে না পারলে এক চামচ করে শজনেপাতার গুঁড়া খেতে পারেন।
এতে প্রচুর জিংক থাকে এবং পালংশাকের চেয়ে তিন গুণ বেশি আয়রন বিদ্যমান, যা অ্যানিমিয়া দূরীকরণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। শজনে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও অবদান রাখে।

🌿মানুষের শরীরের প্রায় ২০ শতাংশ প্রোটিন, যার গাঠনিক একক হলো অ্যামাইনো অ্যাসিড। শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মেটাবলিজম এবং অন্য শারীরবৃত্তীয় কার্যাবলি পরিপূর্ণরূপে সম্পাদনে অ্যামাইনো অ্যাসিড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মানুষের শরীরের যে ৯টি অ্যামাইনো অ্যাসিড খাদ্যের মাধ্যমে সরবরাহ করতে হয়, তার সব কটিই এই মরিঙ্গার মধ্যে বিদ্যমান।

🌿ইউএসডিএর মতে, ১০ গ্রাম শজনেপাতায় ১৫০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম (ডেইলি ভ্যালু ১৫ শতাংশ), ২ মিলিগ্রাম আয়রন (ডেইলি ভ্যালু ১১ শতাংশ), ১৬০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম ও ৩ গ্রাম প্রোটিন আছে।
🌿হাজার গুণের এক পাতা
মানবদেহে যেসব উপাদানের নিয়মিত প্রয়োজন, তার সবই শজনেপাতায় আছে। এ পাতায় প্ল্যান্ট প্রোটিন ও আয়রনের উপস্থিতি বেশি। এটিকে শুকিয়ে গুঁড়া করে খাওয়া হলে পুষ্টিগুণ ঠিক থাকবে, একদম নষ্ট হবে না।

🌿শজনেপাতা শরীরে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ডায়াবেটিসের মতো কঠিন রোগের বিরুদ্ধে কাজ করে। নিয়ম করে দৈনিক শজনেপাতার গুঁড়া সেবন করলে শরীরের প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করে এবং ‘ইমিউনিটি স্টিমুল্যান্ট’ হিসেবে কাজ করে।

🌿 এটি শরীরের হজমক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। শরীরের ওজন কমাতে ব্যায়ামের পাশাপাশি নিয়মিত শজনেপাতার গুঁড়া খেলে কার্যকরী ফল মেলে। শজনেপাতা মায়ের বুকের দুধ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে কোনো ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই। ১ টেবিল চামচ শজনেপাতার গুঁড়ায় ১৪ শতাংশ প্রোটিন, ৪০ শতাংশ ক্যালসিয়াম, ২৩ শতাংশ আয়রন বিদ্যমান।

🌿৬ টেবিল চামচ মরিঙ্গা পাউডার একজন অন্তঃসত্ত্বা এবং স্তন্যদায়ী মায়ের প্রতিদিনের আয়রন এবং ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ করে। শজনেপাতার গুঁড়ায় অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। এটি যকৃৎ ও কিডনি সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। সৌন্দর্যবর্ধক হিসেবেও কাজ করে শজনেপাতা। শজনেতে ৯০টিরও বেশি এবং ৪৬ রকমের অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট বিদ্যমান।

🌿এতে ৩৬টির মতো অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য আছে। এ ছাড়া এটি অকালবার্ধক্যজনিত সমস্যা দূর করে, ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে দারুণ কার্যকর।

🌿এখানেই শেষ নয়, শজনেপাতায় রয়েছে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট, যা আপনার কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি ও শরীরের বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে আপনার দেহকে শক্তিশালী করতে সহায়তা করে। নিয়মিত শজনেপাতার পাউডার খেলে আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। করোনা প্রতিরোধে শজনেপাতা ও ফল উভয় খুব গুরুত্বপূর্ণ।

🔰 আমাদের প্রোডাক্ট সম্পর্কে আপনার মূল্যবান মতামত দিতে অথবা আমাদের সম্মানিত কাস্টমারদের মতামত জানতে আমাদের ফেসবুক গ্রুপটিতে জয়েন করুন👇

https://www.facebook.com/groups/1840645816370317/

🇧🇩 অর্ডার করতে কল করুন ☎️ 01407372572
🇧🇩 অথবা অর্ডার করতে এখানে ক্লিক করুন👉👉 https://chasibd.com/store-checkout-03/

22/08/2024

🌿মরিঙ্গা পাউডার কি আসলেই উপকারী, কী বলছেন পুষ্টিবিদেরা:
🌿মরিঙ্গা পাউডার বা শজনেগাছের পাতাকে বলা হয় অলৌকিক পাতা। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে পুষ্টিকর হার্ব। এ জন্য গবেষকেরা শজনপাতাকে ‘নিউট্রিশনস সুপার ফুড’ উপাধি দিয়েছেন, একই সঙ্গে শজনেগাছকে বলা হচ্ছে মিরাকল ট্রি।

🌿প্রতি গ্রাম শজনেপাতায় একটি কমলার চেয়ে সাত গুণ বেশি ভিটামিন সি ও দুই গুণ বেশি প্রোটিন থাকে। গাজরের চেয়ে চার গুণ বেশি ভিটামিন এ এবং কলার চেয়ে তিন গুণ বেশি পটাশিয়াম বিদ্যমান আছে শজনেপাতায়। ফলে এটি অন্ধত্ব, রক্তস্বল্পতাসহ বিভিন্ন ভিটামিনের ঘাটতিজনিত রোগের বিরুদ্ধে বিশেষ হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে।

🌿শজনেপাতায় গাজরের চেয়ে বেশি ভিটামিন এ এবং শাকের চেয়ে বেশি আয়রন রয়েছে। পুষ্টির পরিমাণ কাছাকাছি বলে কেউ প্রতিদিন দুধ খেতে না পারলে এক চামচ করে শজনেপাতার গুঁড়া খেতে পারেন।
এতে প্রচুর জিংক থাকে এবং পালংশাকের চেয়ে তিন গুণ বেশি আয়রন বিদ্যমান, যা অ্যানিমিয়া দূরীকরণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। শজনে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও অবদান রাখে।

🌿মানুষের শরীরের প্রায় ২০ শতাংশ প্রোটিন, যার গাঠনিক একক হলো অ্যামাইনো অ্যাসিড। শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মেটাবলিজম এবং অন্য শারীরবৃত্তীয় কার্যাবলি পরিপূর্ণরূপে সম্পাদনে অ্যামাইনো অ্যাসিড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মানুষের শরীরের যে ৯টি অ্যামাইনো অ্যাসিড খাদ্যের মাধ্যমে সরবরাহ করতে হয়, তার সব কটিই এই মরিঙ্গার মধ্যে বিদ্যমান।

🌿ইউএসডিএর মতে, ১০ গ্রাম শজনেপাতায় ১৫০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম (ডেইলি ভ্যালু ১৫ শতাংশ), ২ মিলিগ্রাম আয়রন (ডেইলি ভ্যালু ১১ শতাংশ), ১৬০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম ও ৩ গ্রাম প্রোটিন আছে।
🌿হাজার গুণের এক পাতা
মানবদেহে যেসব উপাদানের নিয়মিত প্রয়োজন, তার সবই শজনেপাতায় আছে। এ পাতায় প্ল্যান্ট প্রোটিন ও আয়রনের উপস্থিতি বেশি। এটিকে শুকিয়ে গুঁড়া করে খাওয়া হলে পুষ্টিগুণ ঠিক থাকবে, একদম নষ্ট হবে না।

🌿শজনেপাতা শরীরে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ডায়াবেটিসের মতো কঠিন রোগের বিরুদ্ধে কাজ করে। নিয়ম করে দৈনিক শজনেপাতার গুঁড়া সেবন করলে শরীরের প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করে এবং ‘ইমিউনিটি স্টিমুল্যান্ট’ হিসেবে কাজ করে।

🌿 এটি শরীরের হজমক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। শরীরের ওজন কমাতে ব্যায়ামের পাশাপাশি নিয়মিত শজনেপাতার গুঁড়া খেলে কার্যকরী ফল মেলে। শজনেপাতা মায়ের বুকের দুধ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে কোনো ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই। ১ টেবিল চামচ শজনেপাতার গুঁড়ায় ১৪ শতাংশ প্রোটিন, ৪০ শতাংশ ক্যালসিয়াম, ২৩ শতাংশ আয়রন বিদ্যমান।

🌿৬ টেবিল চামচ মরিঙ্গা পাউডার একজন অন্তঃসত্ত্বা এবং স্তন্যদায়ী মায়ের প্রতিদিনের আয়রন এবং ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ করে। শজনেপাতার গুঁড়ায় অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। এটি যকৃৎ ও কিডনি সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। সৌন্দর্যবর্ধক হিসেবেও কাজ করে শজনেপাতা। শজনেতে ৯০টিরও বেশি এবং ৪৬ রকমের অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট বিদ্যমান।

🌿এতে ৩৬টির মতো অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য আছে। এ ছাড়া এটি অকালবার্ধক্যজনিত সমস্যা দূর করে, ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে দারুণ কার্যকর।

🌿এখানেই শেষ নয়, শজনেপাতায় রয়েছে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট, যা আপনার কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি ও শরীরের বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে আপনার দেহকে শক্তিশালী করতে সহায়তা করে। নিয়মিত শজনেপাতার পাউডার খেলে আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। করোনা প্রতিরোধে শজনেপাতা ও ফল উভয় খুব গুরুত্বপূর্ণ।

🔰 আমাদের প্রোডাক্ট সম্পর্কে আপনার মূল্যবান মতামত দিতে অথবা আমাদের সম্মানিত কাস্টমারদের মতামত জানতে আমাদের ফেসবুক গ্রুপটিতে জয়েন করুন👇

https://www.facebook.com/groups/1840645816370317/

🇧🇩 অর্ডার করতে কল করুন ☎️ 01407372572
🇧🇩 অথবা অর্ডার করতে এখানে ক্লিক করুন👉👉 https://chasibd.com/store-checkout-03/

15/08/2024

🌿মরিঙ্গা পাউডার কি আসলেই উপকারী, কী বলছেন পুষ্টিবিদেরা:
🌿মরিঙ্গা পাউডার বা শজনেগাছের পাতাকে বলা হয় অলৌকিক পাতা। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে পুষ্টিকর হার্ব। এ জন্য গবেষকেরা শজনপাতাকে ‘নিউট্রিশনস সুপার ফুড’ উপাধি দিয়েছেন, একই সঙ্গে শজনেগাছকে বলা হচ্ছে মিরাকল ট্রি।

🌿প্রতি গ্রাম শজনেপাতায় একটি কমলার চেয়ে সাত গুণ বেশি ভিটামিন সি ও দুই গুণ বেশি প্রোটিন থাকে। গাজরের চেয়ে চার গুণ বেশি ভিটামিন এ এবং কলার চেয়ে তিন গুণ বেশি পটাশিয়াম বিদ্যমান আছে শজনেপাতায়। ফলে এটি অন্ধত্ব, রক্তস্বল্পতাসহ বিভিন্ন ভিটামিনের ঘাটতিজনিত রোগের বিরুদ্ধে বিশেষ হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে।

🌿শজনেপাতায় গাজরের চেয়ে বেশি ভিটামিন এ এবং শাকের চেয়ে বেশি আয়রন রয়েছে। পুষ্টির পরিমাণ কাছাকাছি বলে কেউ প্রতিদিন দুধ খেতে না পারলে এক চামচ করে শজনেপাতার গুঁড়া খেতে পারেন।
এতে প্রচুর জিংক থাকে এবং পালংশাকের চেয়ে তিন গুণ বেশি আয়রন বিদ্যমান, যা অ্যানিমিয়া দূরীকরণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। শজনে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও অবদান রাখে।

🌿মানুষের শরীরের প্রায় ২০ শতাংশ প্রোটিন, যার গাঠনিক একক হলো অ্যামাইনো অ্যাসিড। শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মেটাবলিজম এবং অন্য শারীরবৃত্তীয় কার্যাবলি পরিপূর্ণরূপে সম্পাদনে অ্যামাইনো অ্যাসিড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মানুষের শরীরের যে ৯টি অ্যামাইনো অ্যাসিড খাদ্যের মাধ্যমে সরবরাহ করতে হয়, তার সব কটিই এই মরিঙ্গার মধ্যে বিদ্যমান।

🌿ইউএসডিএর মতে, ১০ গ্রাম শজনেপাতায় ১৫০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম (ডেইলি ভ্যালু ১৫ শতাংশ), ২ মিলিগ্রাম আয়রন (ডেইলি ভ্যালু ১১ শতাংশ), ১৬০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম ও ৩ গ্রাম প্রোটিন আছে।
🌿হাজার গুণের এক পাতা
মানবদেহে যেসব উপাদানের নিয়মিত প্রয়োজন, তার সবই শজনেপাতায় আছে। এ পাতায় প্ল্যান্ট প্রোটিন ও আয়রনের উপস্থিতি বেশি। এটিকে শুকিয়ে গুঁড়া করে খাওয়া হলে পুষ্টিগুণ ঠিক থাকবে, একদম নষ্ট হবে না।

🌿শজনেপাতা শরীরে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ডায়াবেটিসের মতো কঠিন রোগের বিরুদ্ধে কাজ করে। নিয়ম করে দৈনিক শজনেপাতার গুঁড়া সেবন করলে শরীরের প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করে এবং ‘ইমিউনিটি স্টিমুল্যান্ট’ হিসেবে কাজ করে।

🌿 এটি শরীরের হজমক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। শরীরের ওজন কমাতে ব্যায়ামের পাশাপাশি নিয়মিত শজনেপাতার গুঁড়া খেলে কার্যকরী ফল মেলে। শজনেপাতা মায়ের বুকের দুধ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে কোনো ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই। ১ টেবিল চামচ শজনেপাতার গুঁড়ায় ১৪ শতাংশ প্রোটিন, ৪০ শতাংশ ক্যালসিয়াম, ২৩ শতাংশ আয়রন বিদ্যমান।

🌿৬ টেবিল চামচ মরিঙ্গা পাউডার একজন অন্তঃসত্ত্বা এবং স্তন্যদায়ী মায়ের প্রতিদিনের আয়রন এবং ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ করে। শজনেপাতার গুঁড়ায় অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। এটি যকৃৎ ও কিডনি সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। সৌন্দর্যবর্ধক হিসেবেও কাজ করে শজনেপাতা। শজনেতে ৯০টিরও বেশি এবং ৪৬ রকমের অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট বিদ্যমান।

🌿এতে ৩৬টির মতো অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য আছে। এ ছাড়া এটি অকালবার্ধক্যজনিত সমস্যা দূর করে, ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে দারুণ কার্যকর।

🌿এখানেই শেষ নয়, শজনেপাতায় রয়েছে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট, যা আপনার কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি ও শরীরের বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে আপনার দেহকে শক্তিশালী করতে সহায়তা করে। নিয়মিত শজনেপাতার পাউডার খেলে আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। করোনা প্রতিরোধে শজনেপাতা ও ফল উভয় খুব গুরুত্বপূর্ণ।

🔰 আমাদের প্রোডাক্ট সম্পর্কে আপনার মূল্যবান মতামত দিতে অথবা আমাদের সম্মানিত কাস্টমারদের মতামত জানতে আমাদের ফেসবুক গ্রুপটিতে জয়েন করুন👇

https://www.facebook.com/groups/1840645816370317/

🇧🇩 অর্ডার করতে কল করুন ☎️ 01407372572
🇧🇩 অথবা অর্ডার করতে এখানে ক্লিক করুন👉👉 https://chasibd.com/store-checkout-03/

🌿মরিঙ্গা পাউডার  কি আসলেই উপকারী, কী বলছেন পুষ্টিবিদেরা:🌿মরিঙ্গা পাউডার বা শজনেগাছের পাতাকে বলা হয় অলৌকিক পাতা। এটি পৃথ...
13/08/2024

🌿মরিঙ্গা পাউডার কি আসলেই উপকারী, কী বলছেন পুষ্টিবিদেরা:
🌿মরিঙ্গা পাউডার বা শজনেগাছের পাতাকে বলা হয় অলৌকিক পাতা। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে পুষ্টিকর হার্ব। এ জন্য গবেষকেরা শজনপাতাকে ‘নিউট্রিশনস সুপার ফুড’ উপাধি দিয়েছেন, একই সঙ্গে শজনেগাছকে বলা হচ্ছে মিরাকল ট্রি।

🌿প্রতি গ্রাম শজনেপাতায় একটি কমলার চেয়ে সাত গুণ বেশি ভিটামিন সি ও দুই গুণ বেশি প্রোটিন থাকে। গাজরের চেয়ে চার গুণ বেশি ভিটামিন এ এবং কলার চেয়ে তিন গুণ বেশি পটাশিয়াম বিদ্যমান আছে শজনেপাতায়। ফলে এটি অন্ধত্ব, রক্তস্বল্পতাসহ বিভিন্ন ভিটামিনের ঘাটতিজনিত রোগের বিরুদ্ধে বিশেষ হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে।

🌿শজনেপাতায় গাজরের চেয়ে বেশি ভিটামিন এ এবং শাকের চেয়ে বেশি আয়রন রয়েছে। পুষ্টির পরিমাণ কাছাকাছি বলে কেউ প্রতিদিন দুধ খেতে না পারলে এক চামচ করে শজনেপাতার গুঁড়া খেতে পারেন।
এতে প্রচুর জিংক থাকে এবং পালংশাকের চেয়ে তিন গুণ বেশি আয়রন বিদ্যমান, যা অ্যানিমিয়া দূরীকরণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। শজনে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও অবদান রাখে।

🌿মানুষের শরীরের প্রায় ২০ শতাংশ প্রোটিন, যার গাঠনিক একক হলো অ্যামাইনো অ্যাসিড। শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মেটাবলিজম এবং অন্য শারীরবৃত্তীয় কার্যাবলি পরিপূর্ণরূপে সম্পাদনে অ্যামাইনো অ্যাসিড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মানুষের শরীরের যে ৯টি অ্যামাইনো অ্যাসিড খাদ্যের মাধ্যমে সরবরাহ করতে হয়, তার সব কটিই এই মরিঙ্গার মধ্যে বিদ্যমান।

🌿ইউএসডিএর মতে, ১০ গ্রাম শজনেপাতায় ১৫০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম (ডেইলি ভ্যালু ১৫ শতাংশ), ২ মিলিগ্রাম আয়রন (ডেইলি ভ্যালু ১১ শতাংশ), ১৬০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম ও ৩ গ্রাম প্রোটিন আছে।
🌿হাজার গুণের এক পাতা
মানবদেহে যেসব উপাদানের নিয়মিত প্রয়োজন, তার সবই শজনেপাতায় আছে। এ পাতায় প্ল্যান্ট প্রোটিন ও আয়রনের উপস্থিতি বেশি। এটিকে শুকিয়ে গুঁড়া করে খাওয়া হলে পুষ্টিগুণ ঠিক থাকবে, একদম নষ্ট হবে না।

🌿শজনেপাতা শরীরে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ডায়াবেটিসের মতো কঠিন রোগের বিরুদ্ধে কাজ করে। নিয়ম করে দৈনিক শজনেপাতার গুঁড়া সেবন করলে শরীরের প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করে এবং ‘ইমিউনিটি স্টিমুল্যান্ট’ হিসেবে কাজ করে।

🌿 এটি শরীরের হজমক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। শরীরের ওজন কমাতে ব্যায়ামের পাশাপাশি নিয়মিত শজনেপাতার গুঁড়া খেলে কার্যকরী ফল মেলে। শজনেপাতা মায়ের বুকের দুধ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে কোনো ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই। ১ টেবিল চামচ শজনেপাতার গুঁড়ায় ১৪ শতাংশ প্রোটিন, ৪০ শতাংশ ক্যালসিয়াম, ২৩ শতাংশ আয়রন বিদ্যমান।

🌿৬ টেবিল চামচ মরিঙ্গা পাউডার একজন অন্তঃসত্ত্বা এবং স্তন্যদায়ী মায়ের প্রতিদিনের আয়রন এবং ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ করে। শজনেপাতার গুঁড়ায় অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। এটি যকৃৎ ও কিডনি সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। সৌন্দর্যবর্ধক হিসেবেও কাজ করে শজনেপাতা। শজনেতে ৯০টিরও বেশি এবং ৪৬ রকমের অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট বিদ্যমান।

🌿এতে ৩৬টির মতো অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য আছে। এ ছাড়া এটি অকালবার্ধক্যজনিত সমস্যা দূর করে, ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে দারুণ কার্যকর।

🌿এখানেই শেষ নয়, শজনেপাতায় রয়েছে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট, যা আপনার কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি ও শরীরের বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে আপনার দেহকে শক্তিশালী করতে সহায়তা করে। নিয়মিত শজনেপাতার পাউডার খেলে আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। করোনা প্রতিরোধে শজনেপাতা ও ফল উভয় খুব গুরুত্বপূর্ণ।

🔰 আমাদের প্রোডাক্ট সম্পর্কে আপনার মূল্যবান মতামত দিতে অথবা আমাদের সম্মানিত কাস্টমারদের মতামত জানতে আমাদের ফেসবুক গ্রুপটিতে জয়েন করুন👇

https://www.facebook.com/groups/1840645816370317/

🇧🇩 অর্ডার করতে কল করুন ☎️ 01407372572
🇧🇩 অথবা অর্ডার করতে এখানে ক্লিক করুন👉👉 https://chasibd.com/store-checkout-03/

12/08/2024

🌿প্রতি গ্রাম সজনে পাতায় একটি কমলার চেয়ে সাত গুণ বেশি ভিটামিন সি, দুধের চেয়ে চার গুণ বেশি ক্যালসিয়াম ও দুই গুণ বেশি প্রোটিন, গাজরের চেয়ে চার গুণ বেশি ভিটামিন এ এবং কলার চেয়ে তিন গুণ বেশি পটাশিয়াম বিদ্যমান। ফলে এটি অন্ধত্ব, রক্তস্বল্পতা সহ বিভিন্ন ভিটামিন ঘাটতি জনিত রোগের বিরুদ্ধে বিশেষ হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে।

🌿সজিনা পাতার উপকারিতা:

✅ডায়াবেটিসের জন্য একটি মহা ঔষধ, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
✅প্রতিদিন সকালে এক চামচ সজনে পাতার শুকনা গুড়া পানিতে গুলিয়ে খেলে পেটের প্রদাহ, গ্যাস্ট্রিক মুক্তি পাওয়া যায়।
শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নয়ন ঘটায়।
✅ভিটামিন,আয়রন,ক্যালসিয়াম এর অভাব পূরণ করে।
✅হজমের সমস্যা দুর হয়
✅কোষ্টকাঠিন্য (কষা) সমস্যা দূর করে।
✅পাইলস্ ও অর্শ্ব রোগে কার্যকরী
✅সজিনার পাতা হৃদরোগীদের জন্যে ঠিক ওষুধের মত কাজ করে, উচ্চ রক্তচাপ কমায়, কোলেস্টেরল কমায়, ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রিত রাখে।
✅এক টেবিল চামচ শুকনা সজিনা পাতার গুঁড়া থেকে ১-২ বছর বয়সী শিশুদের অত্যবশ্যকীয় ১৪% আমিষ, ৪০% ক্যালসিয়াম ও ২৩% লৌহ ও ভিটামিন-এ সরবরাহ হয়ে থাকে।
✅দৈনিক ৬ চামচ সজনে পাতার গুঁড়া একটি গর্ভবর্তী বা স্তন্যদানকারী মায়ের চাহিদার সবটুকু ক্যালসিয়াম ও আয়রন সরবরাহ করতে সক্ষম।
✅সজিনা পাতা গর্ভবস্থায় মায়ের শরীর সুস্থ রাখতে সাহায্য করে এবং মায়ের বুকের দুধ বৃদ্ধি করে কোনো ধরনের পার্শ প্রতিক্রিয়া ছাড়া।
✅মাইগ্রেন (মাথা) ব্যথা বা ঘুমের সমস্যা দূর করে।
✅কোমর, হাঁটু হাত-পায়ের আঙ্গুল ও জয়েন্টের ব্যাথা ভালো হয়।
✅ঠান্ডা জনিত হাঁপানি সমস্যা দূর করে।
✅অনিয়মিত মাসিক নিয়মিত করে।
✅ডায়াবেটিস এর দূর্বলতা দূর করে।
✅প্রসাবে জ্বালাপোড়া ইনফেকশন দূর করে।
✅শারীরিক দূর্বলতা রোধ করে।
✅সজিনার পাতা ক্রিমিনাশক হিসেবে কাজ করে। ক্রিমি সমস্যা করলে সজিনা পাতার গুড়ো খান।

🔰 আমাদের প্রোডাক্ট সম্পর্কে আপনার মূল্যবান মতামত দিতে অথবা আমাদের সম্মানিত কাস্টমারদের মতামত জানতে আমাদের ফেসবুক গ্রুপটিতে জয়েন করুন👇

https://www.facebook.com/groups/1840645816370317/

🇧🇩 অর্ডার করতে কল করুন ☎️ 01407372572
🇧🇩 অথবা অর্ডার করতে এখানে ক্লিক করুন👉👉 https://chasibd.com/store-checkout-03/

06/08/2024

🍀প্রকৃতির মাঝে রয়েছে সমাধান আর যদি সেটা হয় প্রায় ৩০০ রোগের তাহলে কেমন হয়??
🍀সজিনা পাতার গুড়াতে রয়েছে প্রায় ৩০০ রোগের সমাধান।

✔️প্রতি গ্রাম সজনে পাতায় একটি কমলার চেয়ে সাত গুণ বেশি ভিটামিন সি, দুধের চেয়ে চার গুণ বেশি ক্যালসিয়াম ও দুই গুণ বেশি প্রোটিন, গাজরের চেয়ে চার গুণ বেশি ভিটামিন এ এবং কলার চেয়ে তিন গুণ বেশি পটাশিয়াম বিদ্যমান। ফলে এটি অন্ধত্ব, রক্তস্বল্পতা সহ বিভিন্ন ভিটামিন ঘাটতি জনিত রোগের বিরুদ্ধে বিশেষ হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে।

🌿সজিনা পাতার উপকারিতা:

✅ডায়াবেটিসের জন্য একটি মহা ঔষধ, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
✅প্রতিদিন সকালে এক চামচ সজনে পাতার শুকনা গুড়া পানিতে গুলিয়ে খেলে পেটের প্রদাহ, গ্যাস্ট্রিক মুক্তি পাওয়া যায়।
শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নয়ন ঘটায়।
✅ভিটামিন,আয়রন,ক্যালসিয়াম এর অভাব পূরণ করে।
✅হজমের সমস্যা দুর হয়
✅কোষ্টকাঠিন্য (কষা) সমস্যা দূর করে।
✅পাইলস্ ও অর্শ্ব রোগে কার্যকরী
✅সজিনার পাতা হৃদরোগীদের জন্যে ঠিক ওষুধের মত কাজ করে, উচ্চ রক্তচাপ কমায়, কোলেস্টেরল কমায়, ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রিত রাখে।
✅এক টেবিল চামচ শুকনা সজিনা পাতার গুঁড়া থেকে ১-২ বছর বয়সী শিশুদের অত্যবশ্যকীয় ১৪% আমিষ, ৪০% ক্যালসিয়াম ও ২৩% লৌহ ও ভিটামিন-এ সরবরাহ হয়ে থাকে।
✅দৈনিক ৬ চামচ সজনে পাতার গুঁড়া একটি গর্ভবর্তী বা স্তন্যদানকারী মায়ের চাহিদার সবটুকু ক্যালসিয়াম ও আয়রন সরবরাহ করতে সক্ষম।
✅সজিনা পাতা গর্ভবস্থায় মায়ের শরীর সুস্থ রাখতে সাহায্য করে এবং মায়ের বুকের দুধ বৃদ্ধি করে কোনো ধরনের পার্শ প্রতিক্রিয়া ছাড়া।
✅মাইগ্রেন (মাথা) ব্যথা বা ঘুমের সমস্যা দূর করে।
✅কোমর, হাঁটু হাত-পায়ের আঙ্গুল ও জয়েন্টের ব্যাথা ভালো হয়।
✅ঠান্ডা জনিত হাঁপানি সমস্যা দূর করে।
✅অনিয়মিত মাসিক নিয়মিত করে।
✅ডায়াবেটিস এর দূর্বলতা দূর করে।
✅প্রসাবে জ্বালাপোড়া ইনফেকশন দূর করে।
✅শারীরিক দূর্বলতা রোধ করে।
✅সজিনার পাতা ক্রিমিনাশক হিসেবে কাজ করে। ক্রিমি সমস্যা করলে সজিনা পাতার গুড়ো খান।

🔰 আমাদের প্রোডাক্ট সম্পর্কে আপনার মূল্যবান মতামত দিতে অথবা আমাদের সম্মানিত কাস্টমারদের মতামত জানতে আমাদের ফেসবুক গ্রুপটিতে জয়েন করুন👇

https://www.facebook.com/groups/1840645816370317/

🇧🇩 অর্ডার করতে কল করুন ☎️ 01407372572
🇧🇩 অথবা অর্ডার করতে এখানে ক্লিক করুন👉👉www.chasibd.com

❤️❤️আলহামদুলিল্লাহ❤️❤️
01/08/2024

❤️❤️আলহামদুলিল্লাহ❤️❤️

❤️❤️আলহামদুলিল্লাহ কাস্টমার রিভিউ❤️❤️
27/06/2024

❤️❤️আলহামদুলিল্লাহ কাস্টমার রিভিউ❤️❤️

25/06/2024

Address

Toggi
Dhaka
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ChasiBD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to ChasiBD:

Share