ভালবাসার ডায়েরি

ভালবাসার ডায়েরি 📚 প্রতিদিন নতুন বাংলা গল্প
❤️ রোমান্টিক | ইমোশনাল | ভালোবাসার গল্প
✍️ লেখক: আবু তালহা
নতুন গল্প পড়তে Follow করুন।
(1)

 #অনিচ্ছাকৃত  #বিয়ে পর্ব:৯লেখক:  #আবু  #তালহা ঘরের ভেতর যেন হঠাৎ করে সবকিছু থেমে গেছে।দরজার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মেয়েটার ...
17/03/2026

#অনিচ্ছাকৃত #বিয়ে পর্ব:৯
লেখক: #আবু #তালহা
ঘরের ভেতর যেন হঠাৎ করে সবকিছু থেমে গেছে।
দরজার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মেয়েটার চোখে রাগ, কষ্ট আর অভিমান—সবকিছু একসাথে মিশে আছে।
তালহা স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তার মুখে কোনো কথা নেই।
মায়া একবার তালহার দিকে, একবার সেই মেয়েটার দিকে তাকাচ্ছে।
মেয়েটা ধীরে ধীরে ভেতরে ঢুকল।
— তুমি চুপ করে আছো কেন, তালহা?
— উত্তর দাও… তুমি কি সত্যিই অন্য কাউকে বিয়ে করেছো?
তালহা গভীর শ্বাস নিল।
— নীলা… তুমি হঠাৎ এখানে কেন?
মায়ার বুকটা কেঁপে উঠল।
নীলা…!
তাহলে এই মেয়েটার নাম নীলা… আর সে তালহাকে নাম ধরে ডাকছে!
নীলা হেসে উঠল—একটা তিক্ত হাসি।
— কেন এসেছি সেটা গুরুত্বপূর্ণ না…
— গুরুত্বপূর্ণ হলো, তুমি আমাকে না জানিয়ে বিয়ে করলে কিভাবে?
মায়ার মাথা ঝিমঝিম করতে লাগল।
সে ধীরে ধীরে বলল—
— উনি কে…?
তালহা কিছু বলার আগেই নীলা বলল—
— আমি?
— আমি সেই মেয়ে… যাকে তালহা বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।
এই কথাটা যেন বাজের মতো আঘাত করল মায়ার মনে।
মায়ার চোখে পানি চলে এলো।
তালহা তাড়াতাড়ি বলল—
— মায়া, তুমি যা ভাবছো তেমন কিছু না—
— তাহলে কি?
মায়ার কণ্ঠ কাঁপছে।
তালহা কিছুক্ষণ চুপ করে থাকল। তারপর ধীরে বলল—
— হ্যাঁ… আমি নীলাকে ভালোবাসতাম।
এই কথাটা শুনে মায়ার বুকটা ভেঙে গেল।
ঘরের বাতাস যেন ভারী হয়ে উঠল।
নীলা চোখ মুছে বলল—
— “ভালোবাসতাম?”
— তাহলে এখন আর ভালোবাসো না?
তালহা চুপ।
মায়া আর দাঁড়িয়ে থাকতে পারল না। সে ধীরে ধীরে পিছিয়ে গেল।
— আমি… আমি একটু বাইরে যাচ্ছি।
তালহা এগিয়ে এসে বলল—
— মায়া, প্লিজ—
— না!
মায়া কাঁদতে কাঁদতে বলল—
— আমাকে একটু একা থাকতে দিন।
সে দ্রুত ঘর থেকে বেরিয়ে গেল।
ছাদের এক কোণায় গিয়ে মায়া থেমে গেল।
তার চোখ দিয়ে পানি পড়ছে থামছেই না।
“আমি তো জানতাম না…
আমি তো কিছুই জানতাম না…”
হঠাৎ পেছন থেকে একটা কণ্ঠ—
— মায়া…
তালহা।
মায়া ফিরে তাকাল না।
— তুমি এখানে কেন এসেছো?
তালহা ধীরে ধীরে তার কাছে এগিয়ে এল।
— তোমাকে বুঝানোর জন্য।
মায়া তিক্ত হেসে বলল—
— কি বুঝাবেন?
— যে আপনি অন্য কাউকে ভালোবাসতেন?
তালহা চুপচাপ দাঁড়িয়ে রইল।
তারপর ধীরে বলল—
— হ্যাঁ… আমি নীলাকে ভালোবাসতাম।
— কিন্তু এখন…
মায়া ঘুরে তাকাল।
— কিন্তু এখন কি?
তালহা মায়ার চোখের দিকে তাকিয়ে বলল—
— এখন আমার সবকিছু বদলে গেছে।
মায়া অবাক।
— বদলে গেছে?
তালহা ধীরে ধীরে তার কাছে এগিয়ে এসে বলল—
— আমি জানি না কিভাবে…
— কিন্তু এই কয়েকদিনে তুমি আমার জীবনে এমনভাবে জায়গা করে নিয়েছো… যেটা আমি নিজেও বুঝতে পারিনি।
মায়ার বুকের ভেতর ধড়ফড় শুরু হলো।
— আপনি কি বলছেন…?
তালহা মায়ার চোখের পানি মুছে দিয়ে বলল—
— আমি বলছি… আমি তোমাকে হারাতে চাই না।
মায়ার চোখ বড় হয়ে গেল।
— কিন্তু নীলা…?
তালহা গভীরভাবে বলল—
— নীলা আমার অতীত…
— আর তুমি… তুমি আমার বর্তমান।
এই কথাটা শুনে মায়ার চোখ আবার ভিজে গেল।
তালহা ধীরে বলল—
— আমি জানি তুমি আমাকে এখনো বিশ্বাস করো না…
— কিন্তু আমি প্রমাণ করব… আমি শুধু তোমার।
কিছুক্ষণ নীরবতা।
হঠাৎ হালকা বাতাস বইতে লাগল। মায়ার চুল উড়ে মুখে এসে পড়ল।
তালহা ধীরে তার চুল সরিয়ে দিল।
দুজনের চোখ একে অপরের চোখে আটকে গেল।
সময় যেন থেমে গেল।
মায়া ধীরে বলল—
— যদি আবার আমাকে কষ্ট দেন…?
তালহা খুব শান্ত গলায় বলল—
— তাহলে আমি নিজেকেও ক্ষমা করব না।
মায়ার ঠোঁটে হালকা কাঁপন।
তালহা আরও কাছে এসে ধীরে বলল—
— একটা সুযোগ দিবে আমাকে?
মায়া কিছুক্ষণ চুপ করে থাকল…
তারপর খুব আস্তে মাথা নেড়ে বলল—
— হুম…
তালহার মুখে হাসি ফুটে উঠল।
ঠিক তখনই নিচে থেকে নীলার কণ্ঠ ভেসে এল—
— তালহা! আমি যাচ্ছি…
— কিন্তু মনে রেখো… আমি এত সহজে হাল ছাড়বো না!
এই কথাটা আবার নতুন ঝড়ের ইঙ্গিত দিল।
মায়া ভয় পেয়ে তালহার দিকে তাকাল।
তালহা দৃঢ় কণ্ঠে বলল—
— এবার আমি কাউকে আমাদের মাঝে আসতে দিব না।
মায়া ধীরে ধীরে তার দিকে তাকিয়ে রইল…
কিন্তু তার মনে এখনো একটা ভয়—
এই ভালবাসা কি সত্যিই টিকে থাকবে…?
নাকি আবারও ভেঙে যাবে…?
চলবে…

১৮+ গল্প ১৮ বছরের নিচে কেও দেখবেন না  #অনিচ্ছাকৃত  #বিয়ে পর্ব: ৮ #লেখক:  #আবু  #তালহা সকালের নরম আলো ধীরে ধীরে ঘরের জান...
15/03/2026

১৮+ গল্প ১৮ বছরের নিচে কেও দেখবেন না

#অনিচ্ছাকৃত #বিয়ে পর্ব: ৮

#লেখক: #আবু #তালহা

সকালের নরম আলো ধীরে ধীরে ঘরের জানালা দিয়ে ভেতরে ঢুকছে। হালকা বাতাসে জানালার পর্দা একটু একটু নড়ছে।
মায়া তখনো ঘুমিয়ে আছে। গত রাতের কথাগুলো তার মাথায় ঘুরতে ঘুরতে কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছিল সে নিজেও জানে না।
হঠাৎ দরজায় হালকা নক শোনা গেল।
— #মায়া… তুমি জেগেছো?
তালহার কণ্ঠ।
মায়া ধীরে ধীরে চোখ খুলল। একটু অপ্রস্তুত হয়ে বলল—
— জি… উঠছি।
তালহা দরজা খুলে ভেতরে ঢুকল। তার হাতে একটা কাপ।
— এটা তোমার জন্য।
মায়া অবাক হয়ে তাকাল।
— এটা কি?
তালহা হালকা হাসল।
— চা। তুমি সকালে চা খেতে পছন্দ করো না?
মায়া একটু লজ্জা পেয়ে বলল—
— পছন্দ করি… কিন্তু আপনি কেন কষ্ট করলেন?
তালহা শান্ত গলায় বলল—
— কষ্ট না… ইচ্ছে।
এই ছোট্ট কথাটা শুনে মায়ার বুকের ভেতর কেমন যেন অদ্ভুত অনুভূতি হলো।
তালহা জানালার পাশে দাঁড়িয়ে বাইরে তাকিয়ে বলল—
— জানো মায়া… আমি কখনো ভাবিনি আমার #জীবন এভাবে বদলে যাবে।
মায়া ধীরে ধীরে বলল—
— আমিও ভাবিনি।
কিছুক্ষণ নীরবতা।
তারপর তালহা মায়ার দিকে #তাকিয়ে বলল—
— কিন্তু একটা কথা বলতে চাই।
— কি কথা?
তালহা একটু হাসল।
— তুমি যখন হাসো… তখন পুরো ঘরটা আলোকিত হয়ে যায়।
মায়া হঠাৎ চুপ হয়ে গেল। তার গাল হালকা লাল হয়ে উঠল।
— আপনি এসব কেন বলছেন?
— কারণ এটা সত্যি।
তালহা একটু এগিয়ে এসে ধীরে বলল—
— হয়তো আমাদের বিয়েটা জোর করে হয়েছে… কিন্তু আমি চাই না আমাদের সম্পর্কটা জোর করে থাকুক।
মায়া অবাক হয়ে তাকাল।
তালহা আবার বলল—
— আমি চাই… তুমি একদিন নিজের ইচ্ছায় আমাকে ভালোবাসো।
এই কথাটা শুনে মায়ার বুকটা কেঁপে উঠল।
সে নিচের দিকে তাকিয়ে ধীরে বলল—
— যদি সেটা কখনো না হয়?
তালহা একটু হাসল।
— তাহলে আমি অপেক্ষা করব।
— কতদিন?
তালহা মায়ার চোখের দিকে তাকিয়ে বলল—
— যতদিন লাগে।
মায়া কিছু বলতে পারল না।
তার মনে হচ্ছিল… এই ছেলেটা কি সত্যিই এতটা #ধৈর্যশীল?
ঠিক তখনই নিচে থেকে তানিয়ার চিৎকার—
— ভাবি! ভাইয়া! নাস্তা করতে আসো!
তালহা হেসে বলল—
— চলবে?
মায়া মাথা নেড়ে বলল—
— হুম।
তারা দুজন একসাথে দরজার দিকে হাঁটতে লাগল।
হঠাৎ মায়ার ওড়না টেবিলের কোণায় আটকে গেল। সে হোঁচট খেতে যাচ্ছিল।
ঠিক তখনই তালহা দ্রুত হাত বাড়িয়ে তাকে ধরে ফেলল।
কিছু মুহূর্তের জন্য দুজনের চোখ একে অপরের চোখে আটকে গেল।
মায়ার হৃদপিণ্ড দ্রুত ধড়ফড় করতে লাগল।
তালহা ধীরে বলল—
— সাবধানে।
মায়া তাড়াতাড়ি সরে গেল।
— ধ… ধন্যবাদ।
তালহা হালকা হাসল।
— ধন্যবাদ দেওয়ার দরকার নেই… আমি তো তোমার স্বামী।
এই কথাটা শুনে মায়া আবার লজ্জা পেল।
কিন্তু ঠিক সেই মুহূর্তে দরজার বাইরে একটা অচেনা মেয়ের কণ্ঠ শোনা গেল—
— #তালহা… তুমি এখানে?
তালহা হঠাৎ থমকে গেল।
মায়াও অবাক হয়ে দরজার দিকে তাকাল।
দরজার সামনে দাঁড়িয়ে আছে এক সুন্দরী মেয়ে… যার চোখে স্পষ্ট রাগ আর অভিমান।
সে ধীরে বলল—
— তুমি কি সত্যিই অন্য কাউকে বিয়ে করেছো?
ঘরের ভেতর হঠাৎ যেন সবকিছু থেমে গেল।
মায়ার বুকের ভেতর কেমন একটা অজানা ভয় জন্ম নিল।
এই মেয়েটা কে…?
তালহার সাথে তার কি সম্পর্ক…?
আর এই প্রশ্নগুলোর উত্তরই হয়তো মায়ার জীবনে নতুন ঝড় নিয়ে আসবে।
#চলবে…

পেজের রিভিউ অনেক কমে গেছে লাইক দিয়ে একটু সাহায্য করবেন প্লিজ 🥹🥹

 #অনিচ্ছাকৃত  #বিয়ে  #পর্ব – ৭ #লেখক:  #আবু  #তালহা বিয়ের পর আজ মায়ার এই বাড়িতে তৃতীয় দিন। কিন্তু এই তিন দিন তার কাছে য...
14/03/2026

#অনিচ্ছাকৃত #বিয়ে #পর্ব – ৭
#লেখক: #আবু #তালহা
বিয়ের পর আজ মায়ার এই বাড়িতে তৃতীয় দিন। কিন্তু এই তিন দিন তার কাছে যেন তিন বছর মনে হচ্ছে। চারদিকে নতুন মানুষ, নতুন পরিবেশ—সব কিছুই তার কাছে অচেনা।
মায়া জানালার পাশে দাঁড়িয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে আছে। তার চোখে পানি চিকচিক করছে। মনে মনে সে ভাবছে—
“এই বিয়ে আমি চাইনি… তবুও কেন আমার জীবনটা এভাবে বদলে গেল?”
ঠিক তখন দরজায় শব্দ হলো।
তালহা ঘরে ঢুকলো। তার চোখে মুখে ক্লান্তি স্পষ্ট। কিন্তু সে চেষ্টা করছে স্বাভাবিক থাকার।
তালহা মায়ার দিকে তাকিয়ে বলল,
— তুমি এখনো ঘুমাওনি?
মায়া চমকে তাকাল।
— না।
তালহা কিছুক্ষণ চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকল। তারপর ধীরে ধীরে বলল,
— আমি জানি তুমি এই বিয়ে চাওনি। আমিও চাইনি।
এই কথাটা শুনে মায়া অবাক হয়ে গেল।
— তাহলে বিয়ে করলে কেন?
তালহা একটু তিক্ত হাসি দিল।
— পরিবার… তাদের জেদের কাছে হার মানতে হয়েছে।
মায়া চুপ করে গেল। তার মনে হলো, হয়তো তালহাও এই বিয়েতে খুশি না।
কিছুক্ষণ নীরবতা থাকার পর তালহা বলল,
— একটা কথা বলবো?
— বলুন।
— আমরা কি বন্ধু হয়ে থাকতে পারি?
মায়া বিস্মিত হয়ে তাকাল।
— বন্ধু?
— হ্যাঁ। অন্তত যতদিন এই সম্পর্কটা টিকে থাকে… ততদিন আমরা ঝগড়া না করে বন্ধু হয়ে থাকি।
মায়া কিছু বলল না। কিন্তু তার মনে অদ্ভুত একটা অনুভূতি হলো।
এই ছেলেটা কি সত্যিই এতটা খারাপ?
ঠিক তখনই বাইরে থেকে তালহার মা ডাক দিলেন—
— তালহা! নিচে আসো।
তালহা বলল,
— আমি আসছি আম্মু।
তারপর মায়ার দিকে তাকিয়ে বলল,
— তুমি বিশ্রাম নাও।
তালহা চলে গেল।
মায়া বিছানায় বসে পড়ল। তার মনে বারবার তালহার কথা ঘুরছে।
“আমরা কি বন্ধু হয়ে থাকতে পারি?”
হঠাৎ দরজা খুলে তালহার ছোট বোন তানিয়া ঢুকল।
— ভাবি!
মায়া তাকাল।
তানিয়া হাসতে হাসতে বলল,
— তুমি এখানে একা বসে আছো কেন?
— এমনিই।
তানিয়া মায়ার পাশে বসে বলল,
— জানো ভাবি, ভাইয়া কিন্তু খুব ভালো মানুষ।
মায়া একটু অবাক হয়ে বলল—
— তাই নাকি?
— হুম। ভাইয়া বাইরে থেকে একটু রাগী, কিন্তু ভিতরে খুব নরম।
মায়া কিছু বলল না।
তানিয়া আবার বলল—
— তুমি দেখবে, একদিন তুমি নিজেই ভাইয়াকে ভালোবেসে ফেলবে।
এই কথা শুনে মায়া লজ্জা পেয়ে গেল।
— এসব কি বলো?
তানিয়া হেসে বলল—
— সত্যি বলছি।
ঠিক তখনই নিচে থেকে আবার ডাক এল—
— তানিয়া!
— আসছি আম্মু!
তানিয়া উঠে দাঁড়িয়ে বলল—
— ভাবি, তুমি কিন্তু মন খারাপ করবে না। এই বাড়িটা এখন তোমারও।
এই কথা বলে তানিয়া চলে গেল।
মায়া একা হয়ে গেল ঘরে।
সে আবার জানালার দিকে তাকাল। কিন্তু এবার তার মনে একটু অন্যরকম অনুভূতি কাজ করছে।
হয়তো এই সম্পর্কটা এতটা খারাপও না…
কিন্তু সে জানে না— সামনে তার জীবনে কত বড় ঝড় অপেক্ষা করছে।
কারণ তালহার অতীতের একটা গোপন সত্য খুব শিগগিরই মায়ার সামনে চলে আসবে…
আর সেই সত্য তাদের সম্পর্ককে সম্পূর্ণ বদলে দেবে।
চলবে…

গল্প টা #খুব #রোমান্টিক তাই যারা রোমান্টিক #গল্প পছন্দ করেন না তারা এরিয়ে #চলবেন

লেখতে খুব কষ্ট হয় সবাই একটু লাইক করবেন 🥰🥰
আল্লাহ হাফেজ আবার দেখা হবে 🥰🥰

 #স্বপ্ন গুলো সত্যি হোকসকল আশা  #পুরোনো হোক।দু:খ দুরে যাক, সুখে #জীবন ভরে যাক। #জীবনটা হোক ধন্য, ঈদ  #মোবারাক তোমার জন্য...
14/03/2026

#স্বপ্ন গুলো সত্যি হোক
সকল আশা #পুরোনো হোক।
দু:খ দুরে যাক, সুখে #জীবন ভরে যাক।
#জীবনটা হোক ধন্য, ঈদ #মোবারাক তোমার জন্য।
#ঈদ মোবারাক!!

পাশে এসো, ছুঁয়ে দাও, আরও কাছে রাখো আমায় । প্রিয় অভিমান, দূরত্ব তোমাকে কি মানায়।🥰🥰
14/03/2026

পাশে এসো, ছুঁয়ে দাও, আরও কাছে রাখো আমায় । প্রিয় অভিমান, দূরত্ব তোমাকে কি মানায়।🥰🥰

 #পর্ব ৬ অনিচ্ছাকৃত বিয়ে  #লেখক  আবু তালহা পর্ব ৬: অনিচ্ছাকৃত ভাবে বিয়ে মানুষ কখনো কখনো বুঝে ওঠে না যে সে যা হারিয়েছে...
30/06/2025

#পর্ব ৬ অনিচ্ছাকৃত বিয়ে
#লেখক আবু তালহা
পর্ব ৬: অনিচ্ছাকৃত ভাবে বিয়ে

মানুষ কখনো কখনো বুঝে ওঠে না যে সে যা হারিয়েছে, তার গুরুত্ব কতখানি। আবার কখনো সেটা বুঝে ফেলে তখন, যখন অন্য কেউ সেই জায়গাটা পূরণ করার জন্য এগিয়ে আসে।

মায়া এখন ঠিক সেই সময় পার করছে। আর তালহার জীবনে একে একে শুরু হচ্ছে চাওয়া-পাওয়ার খেলা—প্রেম, প্রস্তাব, ও প্রতিযোগিতা।

---

🔶 তানহার বাবার প্রস্তাব

লতিফ চৌধুরী এবার আর দেরি করতে চান না। তানহার মুখের দিকে তাকিয়ে তার মন নরম হয়ে যায়।

তিনি তালহার বাড়িতে এসে সরাসরি বলেন—

> “ফারুক ভাই, আমি একটা প্রস্তাব নিয়ে এসেছি। যদি আপনি ও সাবিনা ভাবি রাজি থাকেন, আমি চাই, আমার মেয়ে তানহার সঙ্গে তালহার বিয়ে হোক।”

ওমর ফারুক ও সাবিনা বেগম চমকে ওঠেন।

সাবিনা কাঁপা গলায় বলেন—

> “আমরা তো... তালহার আগের বিয়ের কথা জানি... ও এখনো মন থেকে সে সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি।”

লতিফ চৌধুরী জোরে হেসে বলেন—

> “ওই মেয়ের কথা ছেড়ে দেন ভাবি। সে তো তালহার কদর করেনি। এখন ও যা পেয়েছে, তাই তার যোগ্যতা।”

তালহা পাশে বসে চুপ করে শোনে। কিন্তু তার চোখের পলকও যেন কাঁপে না।

---

🔶 মায়ার হৃদয় ভাঙার শব্দ

এই খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। যখন মায়া শোনে যে তানহার জন্য তালহার বিয়ের প্রস্তাব গেছে, তখন তার বুকের ভেতর যেন একটা কিছু চিরে যায়।

সে সামিরার কাছে গিয়ে বলে—

> “তারা কি সত্যিই তালহার সঙ্গে তানহার বিয়ে ঠিক করছে?”

সামিরা মায়ার চোখে জল দেখে চুপচাপ।

> “তুই বল তো সামি, আমি কেন এত কষ্ট পাচ্ছি?”

> “কারণ তুই এখন বুঝতে পারছিস—তালহা ছিল তোর, কিন্তু তুই তাকে হারিয়ে ফেলেছিস নিজের দোষে।”

মায়া বিছানায় বসে পড়ে, মাথা ঝুঁকিয়ে কান্না চেপে রাখে।

> “আমি তো ওকে ভালোবাসি... কিন্তু এখন কীভাবে বলব?”

---

🔶 তালহার দোলাচল

তালহা সেই রাতে একা বসে আছে বারান্দায়। চারদিকে নীরবতা। মাথার ভেতর ঘুরছে লতিফ চৌধুরীর প্রস্তাব, তানহার ইচ্ছা, আর মায়ার সেই চোখদুটো।

ইকরাম চাচা এসে পাশে বসে বলেন—

> “হ্যাঁ বললি না এখনো? বিয়েতে?”

> “চাচা, আমি জানি না আমি কী চাই। মায়া এখন যদি ফিরে আসতে চায়?”

> “সে কি ফিরে এসেছে?”

> “সে বলেছে... ও আর এমন করবে না, ও বুঝেছে আমার মূল্য...”

ইকরাম চাচা হেসে বলেন—

> “তা হলে তো সহজ। ভালোবাসি যাকে, তাকেই কাছে রাখা উচিত।”

> “কিন্তু আমি এখন বিশ্বাস করতে পারি না, চাচা... ভয় হয়। যদি আবার হারিয়ে ফেলি?”

---

🔶 মাহিরার কৌশল

মাহিরা এখন তানহার সবচেয়ে বড় অস্ত্র। সে বলে—

> “তুই যদি চাইস তালহার সঙ্গে বিয়ে হোক, তাহলে মায়াকে সামাজিকভাবে ছোট করে ফেল।”

> “মানে?”

> “সবাইকে বোঝা দরকার যে মায়া একটা ভুল মেয়ে। প্রেম করে, স্বামীকে ফেলে, ডিভোর্স নিয়ে আবার ফিরে আসছে। কেউ বিশ্বাস করবে না ওকে।”

তানহার চোখ চকচক করে উঠে।

> “হ্যাঁ। আমি মায়াকে সবার চোখে অপরাধী করে তুলব।”

---

🔶 এক অনাকাঙ্ক্ষিত মুখোমুখি

একদিন সকালে তালহা বাজার থেকে ফেরার পথে হঠাৎ দেখে, সামনে দাঁড়িয়ে মায়া। চোখ লাল, মুখে ক্লান্তির ছাপ।

> “আমি তোমার সঙ্গে কিছু কথা বলতে চাই।”

> “বলো।”

> “তোমাকে ভালোবাসি তালহা। বিশ্বাস করো, আমি বুঝে গেছি আমি কী হারিয়েছি।”

তালহার মুখে কোনো স্পর্শ নেই।

> “তুমি হঠাৎ একদিন ভালোবাসতে শিখলে?”

> “আমি প্রতিদিন তোমার ছবি দেখেছি, তোমার শ্বাস শুনেছি... শুধু বলার সাহস পাইনি।”

> “তোমার সাহসের অভাবে আমি আমার জীবন ভেঙেছি, মায়া।”

> “আমি এখন ভাঙা জিনিস জোড়া দিতে চাই... প্লিজ…”

তালহা কিছু বলে না। শুধু চোখ বন্ধ করে নিচু হয়ে যায় মাথা। মায়ার বুক যেন ফেটে যাচ্ছে।

---

🔶 শেষ দৃশ্য

সন্ধ্যায় খানবাড়িতে একটি পারিবারিক সভা বসে। তানহার বাবা, মা, ও অন্যান্যরা উপস্থিত।

তানহার বিয়ের সিদ্ধান্ত প্রায় চূড়ান্ত। আমজাদ চৌধুরীও জানেন বিষয়টি।

তালহা সেখানে উপস্থিত হয়। সবাই তার মুখের দিকে তাকায়।

লতিফ চৌধুরী জিজ্ঞেস করেন—

> “তালহা, তুমি রাজি তো?”

তালহা তাকায় মায়ার দিকে, যে এক কোণে চুপ করে বসে আছে।

সে চোখ বন্ধ করে কয়েক সেকেন্ড… তারপর বলে—

> “আমি কিছু সময় চাই…”

সবাই চমকে যায়। আর মায়া? তার মুখে এক বিন্দু আশার আলো জ্বলে ওঠে।

---

📌 পরবর্তী পর্বে:

"একটি সিদ্ধান্ত, দুটি হৃদয়"
— তালহা কি তানহার প্রস্তাবে রাজি হবে? নাকি সে মায়ার ফিরে আসাকে আরেকবার সুযোগ দেবে?

---

 #পর্ব ৫ অনিচ্ছাকৃত বিয়ে  #লেখক  আবু তালহা পর্ব ৫: অনিচ্ছাকৃত বিয়ে বাতাসে আজ এক ধরনের অস্থিরতা। মায়া তালহার সামনে এসে...
29/06/2025

#পর্ব ৫ অনিচ্ছাকৃত বিয়ে
#লেখক আবু তালহা
পর্ব ৫: অনিচ্ছাকৃত বিয়ে

বাতাসে আজ এক ধরনের অস্থিরতা। মায়া তালহার সামনে এসে দাঁড়ানো মাত্র তালহার হৃদপিণ্ড যেন হঠাৎ ছন্দপতন ঘটায়। এতদিনের অবহেলা, অপমান, ঘৃণা—সব ভুলে চোখে চোখ রাখে মায়া।

কিন্তু তালহা এখন আর আগের মতো না। সে ভেতরে শক্ত, মুখে স্থির।

---

🔶 “তুমি কি ব্যস্ত?”

মায়ার এই প্রশ্ন শুনে তালহা ভ্রু কুঁচকে তাকাল।

> “ব্যস্ত না। তবে... তুমি হঠাৎ?”

মায়া কাঁধে ঝুলে থাকা ছোট একটা ব্যাগ ঠিক করে বলল,

> “চলো একটু হাঁটি।”

তালহা দ্বিধা করলো না। হয়তো সে মন থেকে এটা বহুবার কল্পনা করেছে—এই মেয়েটা একদিন তার পাশে এসে হাঁটবে, চুপচাপ।

---

🔶 পথে পথে নীরবতা

দু’জন পাশাপাশি হাঁটছে। কেউ কোনো কথা বলছে না। পায়ের আওয়াজই যেন একমাত্র শব্দ। হঠাৎ মায়া বলে—

> “তুমি জানো, ডিভোর্সের পর প্রথম দিন রাতে আমি ঘুমোতে পারিনি?”

তালহা তাকাল না, বলল—

> “ঘুম আসে না মানেই তো ভালোবাসা নয়।”

> “তোমার সঙ্গে থাকা কষ্টের ছিল, কিন্তু তোমার না থাকা আরও কষ্টের...”

তালহা দাঁড়িয়ে পড়ে। মায়াও থামে।

> “তুমি কি আবার আমাকে বিশ্বাস করতে পারো?”

তালহার মুখ কঠিন—

> “বিশ্বাস? সেটা কাঁচের মতো। ভাঙলে আবার গড়লেও দাগ থেকে যায়।”

---

🔶 অন্যপাশে আগুন

তানহা আজ সকাল থেকেই খোঁজ পাচ্ছে না তালহার। তার কপালে চিন্তার ভাঁজ।

আয়শা চৌধুরী (তানহার মা) বলে—

> “কী হয়েছে তানহা?”

> “তালহা ভাই আজ সকাল থেকে কোথাও নেই।”

> “ও মায়ার সঙ্গে হাঁটতে গেছে। শুনেছি সামিরা বলছে ওদের নাকি বাজারে দেখা গেছে একসঙ্গে।”

তানহার মুখ কালো হয়ে যায়।

> “মানে? ডিভোর্সের পর আবার ওদের...?”

> “হ্যাঁ। সাবধান হয়ে যা। এখন যদি তুই চটপট কিছু না করিস, ওকে হারিয়ে ফেলবি।”

তানহার চোখে জেদ।

> “না। এবার আমি কিছু একটা করবই।”

---

🔶 নতুন চরিত্রের আবির্ভাব: মাহিরা

এই সময়ে গল্পে প্রবেশ করে মাহিরা—সামিরার কাজিন, একজন সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার। তানহার বন্ধু হিসেবেই সে খানবাড়িতে আসে।

মাহিরা দ্রুত বুঝে যায়, তানহার মন তালহার দিকে একান্ত।

> “তুই যদি চাস তালহা তোর হোক, তাহলে ওকে আর সময় দিতে নেই। এখনই দখল নিতে হবে।”

তানহা জিজ্ঞেস করে—

> “তুই কী করতে বলছিস?”

> “তোর আব্বুকে বুঝিয়ে তোর বিয়ের জন্য তালহার প্রস্তাব আনতে বল।”

তানহার মুখে জয়ীর হাসি।

---

🔶 তালহার দোদুল্যমানতা

বিকেলে ইকরাম চাচার সঙ্গে তালহার দেখা হয়।

> “চাচা, একটা কথা জিজ্ঞেস করি?”

> “বল বাবা।”

> “এক মেয়ে অনেক কষ্ট দিয়েছে, অপমান করেছে। কিন্তু আজকে এসে সে চোখে জল নিয়ে ক্ষমা চেয়েছে। আমি... আমি কি তাকে ফের মানতে পারি?”

ইকরাম চাচা হালকা হেসে বলেন—

> “ভালোবাসা মানে তো আবার সুযোগ দেওয়া। কিন্তু এই সুযোগ শুধু তাদেরই দেওয়া যায়, যারা সত্যিই পরিবর্তন চায়।”

> “আমি তার চোখে সত্যতা দেখেছি, চাচা। কিন্তু আমার মন ভয় পায়…”

> “ভালোবাসা যদি সাহসের পরীক্ষা হয়, তবে তুমি একবার চেষ্টা করে দেখো।”

---

🔶 শেষ দৃশ্য

সন্ধ্যার দিকে তালহা ফিরে আসে বাড়িতে। সে দরজার দিকে পা বাড়াতেই তানহা দৌড়ে এসে দাঁড়ায়।

> “তালহা ভাই! আপনি কোথায় ছিলেন? আমি সারাদিন অপেক্ষা করলাম…”

তালহা মৃদু হেসে বলে—

> “হেঁটে ফিরলাম নিজের ফেলে যাওয়া পথ থেকে।”

পেছন থেকে ধীরে ধীরে এগিয়ে আসে মায়া। আর তানহার মুখটা জমে ওঠে অভিমানে।

তিনজন মানুষের মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকে—এক পুরোনো ভালোবাসা, এক নতুন আগ্রহ, আর একটা অমীমাংসিত ভবিষ্যৎ।

---

📌 পরবর্তী পর্বে:

"প্রস্তাব, প্রতিশ্রুতি ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা"
— তানহার বাবা তালহার জন্য প্রস্তাব আনেন, মায়ার হৃদয় ভেঙে পড়ে, আর তালহার সিদ্ধান্ত নড়বড়ে হয়ে ওঠে...

---

 #পর্ব ৪ অনিচ্ছাকৃত বিয়ে  #লেখক আবু তালহা পর্ব ৪: অনিচ্ছাকৃত বিয়ে তালহার জীবনের পৃষ্ঠা যেন একেবারে উল্টে গেছে। সে এখন ...
28/06/2025

#পর্ব ৪ অনিচ্ছাকৃত বিয়ে
#লেখক আবু তালহা

পর্ব ৪: অনিচ্ছাকৃত বিয়ে

তালহার জীবনের পৃষ্ঠা যেন একেবারে উল্টে গেছে। সে এখন মুক্ত, কাগজে-কলমে মায়ার সাথে তার আর কোনো সম্পর্ক নেই। কিন্তু সত্যিই কি মানুষ সম্পর্ক ছিঁড়ে ফেলতে পারে কেবল এক টুকরো কাগজে সই করে?

আর মায়া... তার বুকের ভেতর জমতে শুরু করেছে এক অজানা শূন্যতা—যার নাম সে নিজেই জানে না।

---

🔶 তানহার সাহসী প্রস্তাব

তানহা, সবসময় ছেলেমানুষি হাসির আড়ালে লুকিয়ে থাকা এক কৌশলী মেয়ে। আজ সে তার নিজের কথাটা স্পষ্ট করে বলে ফেলে তালহার সামনে—

> “তালহা ভাই, আপনি কি আমাকে একটুখানি সময় দিতে পারবেন?”

> “সময়? কী ব্যাপারে?”

> “আমার মনটা একরকম খালি খালি লাগে আপনাকে দেখার পর থেকে। আপনি হয়তো বোঝেন না, কিন্তু আমি বুঝি… আপনি অন্য রকম একজন মানুষ।”

তালহা কিছু বলে না। তার চোখে বিস্ময়।
তানহা হালকা হাসে—

> “আপনি চিন্তা করবেন না, আমার আব্বু তো আগেই বলেছে, আপনাকে পছন্দ করে।”

তালহা এবার নিচু স্বরে বলে—

> “তানহা, আমি ডিভোর্সড। আর আমি এখন কাউকে ভালোবাসি না, এমনকি নিজেকেও না।”

তানহা মুচকি হেসে বলে—

> “ভালোবাসা আবার নিজের অনুমতি নিয়ে আসে নাকি?”

---

🔶 মায়ার মনস্তত্ত্ব

রাত গভীর হলে, মায়া জানালার ধারে দাঁড়িয়ে চাঁদের আলোয় ভেসে থাকা উঠোনের দিকে তাকিয়ে থাকে। দূরে তালহার ছায়া যেন তার চোখে পড়ে আবার হারিয়ে যায়।

সামিরা ফোন করে,

> “মায়া, তুই ঠিক আছিস?”

> “সামি, আমি জানি না… কেন জানি ওকে দেখলেই বুকের মধ্যে চিনচিন করে।”

> “তুই ওকে ভালোবেসে ফেলেছিস, মায়া।”

> “না! না, না! আমি তো ওকে অপমান করেছি, নিচু করে ফেলেছি—ওকে ভালোবাসা কীভাবে সম্ভব?”

> “ভালোবাসা কখনো পরিকল্পনামাফিক হয় না, মায়া। সেটা ঠিক তোর মতো জেদি হৃদয়েও গিয়ে বাসা বাঁধে।”

---

🔶 তালহার হৃদয়

তালহা এখন আর আগের মতো নির্লিপ্ত নেই। তানহার আচরণ তাকে অস্বস্তিতে ফেলে। সে একদিন রাতে ইকরাম চাচার কাছে গিয়ে বসে।

> “চাচা, একটা মেয়ে আছে... সে আমাকে খুব আগ্রহ দেখায়।”

> “তুই কি ওকে পছন্দ করিস?”

> “না চাচা। আমি কারো প্রতি কিছুই অনুভব করি না।”

> “তাহলে, যার জন্য এসব অনুভূতি হারিয়েছিস, সে কি তোর জীবনে ফিরে আসতে পারে?”

তালহা কিছুক্ষণ চুপ করে থাকে, তারপর চোখ বন্ধ করে বলে—

> “আসতে পারে না, চাচা। তার ego পাহাড়ের মতো।”

ইকরাম চাচা মাথা নিচু করে বলেন—

> “মাঝে মাঝে পাহাড়ও গলে নদী হয়ে যায়, তালহা। অপেক্ষা কর। কিছু ভালোবাসা বোঝে সময়ের ভাষা।”

---

🔶 মোড় ঘোরানো মুহূর্ত

একদিন সকালে, মায়া ঘুম ভেঙেই দেখে তানহা দরজায় দাঁড়িয়ে। হাতে একটা সোনার চেন আর এক গুচ্ছ গোলাপ।

> “ভাবি, তালহা ভাই আমাকে আজকে উপহার দিল। বলল—'ভালোবাসা মানে দায়িত্ব, আনন্দ'।”

মায়ার গলা শুকিয়ে আসে। সে মাথা নিচু করে বলে—

> “তুমি খুব ভাগ্যবান, তানহা।”

কিন্তু মনের ভেতর থেকে একটাই কথা ঘুরপাক খাচ্ছে,

> “তালহা কি সত্যিই কাউকে ভালোবাসতে পারবে আবার?”

---

🔶 হাসিবের আসল চেহারা

এক সন্ধ্যায় সামিরা ফোন করে বলে—

> “তোর ভালোবাসার হাসিব এখন আমাদের এলাকাতেই ঘুরে বেড়াচ্ছে, এক নতুন মেয়ের সঙ্গে। তুই চাইলে আমি ছবি তুলে দিবো।”

মায়ার চোখে যেন আগুন জ্বলে ওঠে।

> “ছবি লাগবে না। আমি এখন বুঝে গেছি ও কী জিনিস।”

সেই রাতেই মায়া নিজেই হাসিবকে ফোন করে—

> “তুমি জানো, আমি তোমার জন্য আমার সম্মান বিসর্জন দিয়েছিলাম?”

> “তুমি মানসিকভাবে দুর্বল ছিলে। তুমি এমনিতেই ভেঙে পড়তে।”

> “তুমি জানো? আমি এখন সত্যিই জানি কার ভালোবাসা আসল ছিল…”

> “তালহার?”

> “হ্যাঁ, তালহার!”

> “তাহলে তো তুমি হেরেই গেছো, মায়া।”

ফোন কেটে যায়। কিন্তু মায়ার চোখে এবার জল আসে না—আসে শুধু প্রতিজ্ঞা।

---

🔶 শেষ দৃশ্য

তালহা বাজার থেকে ফিরছে। হঠাৎ পেছন থেকে এক কণ্ঠস্বর শোনা যায়—

> “তালহা…”

সে ফিরে দেখে—মায়া। দাঁড়িয়ে আছে, চোখে লাজুক দৃষ্টি।

> “আমি... আমি আজ তোমার সঙ্গে একটু হাঁটতে চাই।”

তালহার চোখ বিস্ময়ে বড় হয়ে ওঠে।

---

📌 পরবর্তী পর্বে:

"ভাঙা সম্পর্কের নতুন সন্ধান"
— তালহার মন অস্থির হয়ে ওঠে, মায়ার চোখে ভালোবাসার ইশারা, আর তানহার ভেতরে শুরু হয় এক গোপন আগুন…

---ভালো লাগলে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন 🥰🥰🥰

Address

Pabna
PABNA

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ভালবাসার ডায়েরি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share