SHREE GOPAL BHOG

SHREE GOPAL BHOG Real Congress Workers

উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং জেলা, কোচবিহার জেলা, আলিপুরদুয়ার জেলা কংগ্রেস আজ কর্মীদের নয়, জালি ভৌমিক, দালাল বিশু, পাপী পাপান...
07/05/2026

উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং জেলা, কোচবিহার জেলা, আলিপুরদুয়ার জেলা কংগ্রেস আজ কর্মীদের নয়, জালি ভৌমিক, দালাল বিশু, পাপী পাপান এর ব্যক্তিগত ধান্দাবাজির শিকার!

জেলা সভাপতি জালি ভৌমিক—ঘরে বসে গল্প শুনিয়ে, টেবিল পলিটিক্স করে, নিজের পছন্দের লোক বসিয়ে ভোট জেতা যায় না।সারা বছর কর্মীদের থেকে বিচ্ছিন্ন থেকে, আন্দোলন ছাড়া, রাস্তায় না নেমে শুধু চেয়ার আঁকড়ে থাকলেই নেতা হওয়া যায় না!

প্রশ্ন একটাই—

জালি ভৌমিক গত এক বছরে তৃণমূল ও বিজেপির বিরুদ্ধে কতগুলো আন্দোলন করেছেন?কতগুলো ব্লকে সংগঠন গড়েছেন?কতগুলো বুথ কমিটি তৈরি করেছেন?কতজন পোলিং এজেন্ট নিয়োগ করেছিলেন?কোথায় গেল নির্বাচনের লক্ষ লক্ষ টাকার ফান্ড?

উত্তর চাই!প্রমাণসহ হিসাব চাই!

দার্জিলিং জেলায় কংগ্রেসের এই ভয়াবহ ভরাডুবির প্রধান দায় জালি ভৌমিককেই নিতে হবে।কারণ কর্মীদের মতামত ছাড়া, ত্যাগী কর্মীদের বাদ দিয়ে, নিজের “ছাগল মার্কা” প্রার্থী দাঁড় করিয়ে শুধু পকেট ভরার রাজনীতি হয়েছে।

আজ জেলার সর্বত্র কংগ্রেস প্রার্থীরা NOTA-র সঙ্গে লড়াই করছে—এটাই জালি ভৌমিকের নেতৃত্বের আসল পরিচয়!

ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে কমিটি নেই।সংগঠনে গণতন্ত্র নেই।ছাত্র-যুবদের জায়গা নেই।আছে শুধু সেটিং, গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব আর টিকিট বাণিজ্য!

সকাল-বিকাল-রাতে তৃণমূল ও বিজেপির নেতাদের সাথে এত দোস্তি কিসের স্বার্থে?কংগ্রেসকে দুর্বল করার চক্রান্ত কেন?

বেশি লাফালাফি করলে—সমস্ত প্রমাণ, ছবি এবং তথ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করা হবে!

এখনো সময় আছে—সম্মানের সাথে সরে দাঁড়ান।না হলে কর্মীরাই চেয়ার থেকে সরিয়ে দেবে।

07/05/2026

দার্জিলিং জেলা কংগ্রেস আজ কর্মীদের নয়, জালি ভৌমিক এর ব্যক্তিগত ধান্দাবাজির শিকার!

জেলা সভাপতি জালি ভৌমিক—ঘরে বসে গল্প শুনিয়ে, টেবিল পলিটিক্স করে, নিজের পছন্দের লোক বসিয়ে ভোট জেতা যায় না।সারা বছর কর্মীদের থেকে বিচ্ছিন্ন থেকে, আন্দোলন ছাড়া, রাস্তায় না নেমে শুধু চেয়ার আঁকড়ে থাকলেই নেতা হওয়া যায় না!

প্রশ্ন একটাই—

জালি ভৌমিক গত এক বছরে তৃণমূল ও বিজেপির বিরুদ্ধে কতগুলো আন্দোলন করেছেন?কতগুলো ব্লকে সংগঠন গড়েছেন?কতগুলো বুথ কমিটি তৈরি করেছেন?কতজন পোলিং এজেন্ট নিয়োগ করেছিলেন?কোথায় গেল নির্বাচনের লক্ষ লক্ষ টাকার ফান্ড?

উত্তর চাই!প্রমাণসহ হিসাব চাই!

দার্জিলিং জেলায় কংগ্রেসের এই ভয়াবহ ভরাডুবির প্রধান দায় জালি ভৌমিককেই নিতে হবে।কারণ কর্মীদের মতামত ছাড়া, ত্যাগী কর্মীদের বাদ দিয়ে, নিজের “ছাগল মার্কা” প্রার্থী দাঁড় করিয়ে শুধু পকেট ভরার রাজনীতি হয়েছে।

আজ জেলার সর্বত্র কংগ্রেস প্রার্থীরা NOTA-র সঙ্গে লড়াই করছে—এটাই জালি ভৌমিকের নেতৃত্বের আসল পরিচয়!

ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে কমিটি নেই।সংগঠনে গণতন্ত্র নেই।ছাত্র-যুবদের জায়গা নেই।আছে শুধু সেটিং, গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব আর টিকিট বাণিজ্য!

সকাল-বিকাল-রাতে তৃণমূল ও বিজেপির নেতাদের সাথে এত দোস্তি কিসের স্বার্থে?কংগ্রেসকে দুর্বল করার চক্রান্ত কেন?

বেশি লাফালাফি করলে—সমস্ত প্রমাণ, ছবি এবং তথ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করা হবে!

এখনো সময় আছে—সম্মানের সাথে সরে দাঁড়ান।না হলে কর্মীরাই চেয়ার থেকে সরিয়ে দেবে।

07/05/2026
07/05/2026

দার্জিলিং জেলা কংগ্রেস আজ কর্মীদের নয়, জালি ভৌমিকের ব্যক্তিগত ধান্দাবাজির শিকার!

জেলা সভাপতি জালি ভৌমিক—ঘরে বসে গল্প শুনিয়ে, টেবিল পলিটিক্স করে, নিজের পছন্দের লোক বসিয়ে ভোট জেতা যায় না।সারা বছর কর্মীদের থেকে বিচ্ছিন্ন থেকে, আন্দোলন ছাড়া, রাস্তায় না নেমে শুধু চেয়ার আঁকড়ে থাকলেই নেতা হওয়া যায় না!

প্রশ্ন একটাই—

জালি ভৌমিক গত এক বছরে তৃণমূল ও বিজেপির বিরুদ্ধে কতগুলো আন্দোলন করেছেন?কতগুলো ব্লকে সংগঠন গড়েছেন?কতগুলো বুথ কমিটি তৈরি করেছেন?কতজন পোলিং এজেন্ট নিয়োগ করেছিলেন?কোথায় গেল নির্বাচনের লক্ষ লক্ষ টাকার ফান্ড?

উত্তর চাই!প্রমাণসহ হিসাব চাই!

দার্জিলিং জেলায় কংগ্রেসের এই ভয়াবহ ভরাডুবির প্রধান দায় জালি ভৌমিককেই নিতে হবে।কারণ কর্মীদের মতামত ছাড়া, ত্যাগী কর্মীদের বাদ দিয়ে, নিজের “ছাগল মার্কা” প্রার্থী দাঁড় করিয়ে শুধু পকেট ভরার রাজনীতি হয়েছে।

আজ জেলার সর্বত্র কংগ্রেস প্রার্থীরা NOTA-র সঙ্গে লড়াই করছে—এটাই জালি ভৌমিকের নেতৃত্বের আসল পরিচয়!

ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে কমিটি নেই।সংগঠনে গণতন্ত্র নেই।ছাত্র-যুবদের জায়গা নেই।আছে শুধু সেটিং, গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব আর টিকিট বাণিজ্য!

সকাল-বিকাল-রাতে তৃণমূল ও বিজেপির নেতাদের সাথে এত দোস্তি কিসের স্বার্থে?কংগ্রেসকে দুর্বল করার চক্রান্ত কেন?

বেশি লাফালাফি করলে—সমস্ত প্রমাণ, ছবি এবং তথ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করা হবে!

এখনো সময় আছে—সম্মানের সাথে সরে দাঁড়ান।না হলে কর্মীরাই চেয়ার থেকে সরিয়ে দেবে।

দার্জিলিং জেলা কংগ্রেসের আভ্যন্তরীণ শুদ্ধিকরণের প্রয়োজন আছে, কুমড়া মালাকার তৃণমূলে যাবার পরে, সাদা চুল ভৌমিক অর্থাৎ জা...
07/05/2026

দার্জিলিং জেলা কংগ্রেসের আভ্যন্তরীণ শুদ্ধিকরণের প্রয়োজন আছে, কুমড়া মালাকার তৃণমূলে যাবার পরে, সাদা চুল ভৌমিক অর্থাৎ জালি ভৌমিক দায়িত্ব নেয়, নিজের পছন্দের ছাগল মার্কা সব প্রার্থী দাঁড় করিয়ে নিজের পকেট ভর্তি করার ব্যবস্থা করে এবং কংগ্রেসের প্রার্থীরা নির্বাচনে শোচনীয় ভাবে লজ্জাজনক ফল করে,, এবার প্রশ্ন হল দার্জিলিং জেলায় আর কে আছে ,,,,আরেকজন আছে একমাত্র কাউন্সিলর,,, সে আবার তৃণমূলের মেয়র গৌতম দেবের মানষ পুত্র,, তৃণমূলের মেয়রের নির্দেশের বাইরে কোন কাজ করেনা, এ হলো শিলিগুড়ির বাইরন বিশ্বাস.... তৃণমূলের কাছ থেকে টাকা খেয়ে কংগ্রেসের ক্ষতি করা ছাড়া জীবনে কোন কাজ আর করেনি ,, অন্যদিকে অধীর চৌধুরীর সাথে বিজেপির সাথে যোগাযোগ রেখে(ব্যবসা) চলাএইসব ব্যক্তিদের হাতে দায়িত্ব কংগ্রেসের পক্ষে ক্ষতিকর,,,,,
দার্জিলিং জেলা কংগ্রেসের সব নেতাদের বায়োডাটা ধুতি লুঙ্গি পায়জামা সব খোলা হবে এবার ধৈর্য ধরুন.... প্রমাণসহ সব জানাবো কে কতটা ক্ষতিকর জেলা কংগ্রেসের জন্য শিলিগুড়ি কংগ্রেসের কে কতটা ক্ষতি করেছে,,, তৃণমূলের কাছ থেকে এবং বিজেপির কাছ থেকে কে কত টাকা খেয়েছে সব রহস্য জানানো হবে... কংগ্রেসের ক্ষতি যারা করেছে এবং করছে তারা কেউ ছাড় পাবে না।
সময় এসে গেছে,,, ধান্দাবাজদের বিদায় করার, কংগ্রেসের মধ্যে থেকে উইপোকার মত যারা কংগ্রেসকে শেষ করছে তাদের বিদায় নেওয়ার সময় এসে গেছে...
আর নয় ধান্দাবাজি — এবার রাস্তায় নামবে কর্মীরা!
দল বাঁচাও, দুর্নীতি হটাও!
কংগ্রেস বাঁচাতে লড়াই চলবেই!
ভারতের জাতীয় কংগ্রেস জিন্দাবাদ!
বন্দেমাতরম!
যারা ব্যর্থ—তারা নিজেরা সরে দাঁড়ান
না হলে কর্মীরাই সরাবে!
কংগ্রেস বাঁচাতে লড়াই চলবেই।
ভারতের জাতীয় কংগ্রেস জিন্দাবাদ।
বন্দেমাতরম।.....বিনীত....
সাধারণ কংগ্রেস কর্মীবৃন্দ

"ফান্ড চোর, টিকিট চোর, গাদ্দি ছোড়"“গদি ছাড়ো, নইলে ছাড়ানো হবে!”“টিকিট চোরদের কাউন্টডাউন শুরু!”“আর নয় সহ্য — এবার রাস্...
06/05/2026

"ফান্ড চোর, টিকিট চোর, গাদ্দি ছোড়"

“গদি ছাড়ো, নইলে ছাড়ানো হবে!”
“টিকিট চোরদের কাউন্টডাউন শুরু!”
“আর নয় সহ্য — এবার রাস্তায় নামবে কর্মীরা!”
“দল বাঁচাও, দুর্নীতি হটাও!”

আর নয় ধান্দাবাজি — এবার রাস্তায় নামবে কর্মীরা!
দল বাঁচাও, দুর্নীতি হটাও!
কংগ্রেস বাঁচাতে লড়াই চলবেই!
ভারতের জাতীয় কংগ্রেস জিন্দাবাদ!
বন্দেমাতরম!

জেলা সভাপতি.... ঘরে বসে প্রিয়দার গল্প শুনিয়ে ভোটে জেতা যায় না।
অনেক টেবিল পলিটিক্স করেছেন, এবার বাদ দিন....
নির্বাচনে জয়লাভ করার জন্য সকল কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হয়, এলাকার মানুষের সাথে যোগাযোগ করতে হয়, রাস্তায় নেমে সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে হয়—
এই অপদার্থ জেলা সভাপতির এর মধ্যে কোন কাজটা করেছে?
সারা বছরজুড়ে টাকা ঝেড়ে পকেটে রেখে দেবো—এই চিন্তা ভাবনা নিয়ে তো ভোটে দাঁড়িয়েছে / প্রার্থীদেরকে দাঁড়করিয়েছেন।
পূর্বে কুমড়ো মালাকার কারি কারি টাকা কামিয়েছে দলের নাম করে, এরপর তৃণমূলে পালিয়ে গেছেন।
এখন বর্তমানে যিনি দল পরিচালনা করছেন—
দলের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে আজ পর্যন্ত তৃণমূল এবং বিজেপির বিরুদ্ধে, কর্পোরেশনে, উত্তর কন্যায়, জেলায়, প্রতিটি ব্লকে, প্রতিটি অঞ্চলে, পঞ্চায়েত গুলিতে, প্রতিটি ওয়ার্ডে কতগুলি আন্দোলন করেছেন?
ছি! লজ্জা হয় না আপনার নিজের ব্যর্থতার জন্য?
ভোটের পূর্বে কিসের ধান্দাবাজির জন্য পদত্যাগের নাটক করা হলো?
ওয়ার্ডে ওয়ার্ড কমিটি নেই কেন?
দলীয় কর্মীদের মর্যাদা দেওয়া হয় না কেন?
একে বাদ দিয়ে, তাকে বাদ দিয়ে জেলায় রাজনীতি হয় না—যেটা হয়, সেটাকে ধান্দাবাজি বলে।
সকাল, বিকাল, রাতে তৃণমূল এবং বিজেপির নেতাদের সাথে এত দোস্তি কিসের স্বার্থে?
বেশি লাফালাফি করলে সমস্ত প্রমাণ বাধ্য হয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করতে বাধ্য হব, ছবিসহ....
এখনো সময় আছে—
বয়স হয়ে গেছে, বুড়ো হয়ে গেছেন, সম্মানের সাথে বিদায় নিন...
বর্তমানে যিনি সভাপতি আছেন, সে সারা বছর কি কাজ করেছেন!
নোটার বিরুদ্ধে প্রার্থীদেরকে জিতিয়ে আনার জন্য এবং দলীয় টাকা লুঠের জন্য টিকিট চোরদের কে জুতোর মালা পরিয়ে সংবর্ধনা দেওয়া হোক—
জগদীশ ভবনে, বিধান ভবনে এবং প্রতিটি জেলার জেলা কার্যালয়ে।
এরা নির্বাচনী তহবিলের টাকা লুঠ করবার উদ্দেশ্য নিয়েই রাজনীতি করছে।
জেলায় জেলায় কতজন BLO নিয়োগ করা হয়েছিল?
বুথে বুথে নির্বাচনে পোলিং এজেন্ট কোথায় ছিল?
প্রার্থী নির্বাচন করেছেন জেলা সভাপতি...
জেলার সর্বত্র কংগ্রেস প্রার্থীরা নোটার বিরুদ্ধে বিজয় লাভ করাবার কৃতিত্ব জেলা সভাপতির।পঞ্চায়েতের নির্বাচনেও এর থেকে বেশি ভোট প্রায় প্রার্থীরা—এরা দলের কলঙ্ক!
জেলার প্রত্যেক বিধানসভার জন্য AICC র 10 লক্ষ এবং 5 লক্ষ্য আলাদা করে জেলা সভাপতি কে দেওয়া হয়েছে নির্বাচনের খরচ করার জন্য—এত টাকা কোথায় গেল?
কার কার ভাগে কত কত এলো?উত্তর চাই! প্রমাণসহ স্পষ্ট হিসাব চাই!
গোড়ায় গলদ!
সমগ্র পশ্চিমবঙ্গে প্রায় বেশিরভাগ আসনেই এটাই হয়েছে।বিশেষ করে উত্তরবঙ্গের—
দার্জিলিং জেলা, জলপাইগুড়ি জেলা, কোচবিহার জেলা, আলিপুরদুয়ার জেলা, দিনাজপুর জেলা সভাপতিদেরকে জুতোর মালা পরিয়ে সম্বর্ধনা দেওয়া উচিত, তৎসহ আমাদের রাজ্য সভাপতি এবং এই আইসিসি নিযুক্ত দালাল মীরকেসমেত।
সারাবছর জুড়ে এই জেলা সভাপতিরা তৃণমূল এবং বিজেপির সাথে যোগাযোগ রেখে চলে, সেটিং করে চলে।
কংগ্ৰেসের রাজ্য সভাপতি থেকে শুরু করে জেলার নেতা, জেলা সভাপতি এবং টিকিট চোর প্রার্থীরা—জমানত জব্দ!
তারা হয় নিজে থেকে সম্মান নিয়ে পদত্যাগ করবেন কি?
বেশিরভাগ প্রার্থী এবং জেলা সভাপতি টাকা খরচ করেননি।শুধু তৃণমূল-বিজেপির সাথে সেটিং আর ধান্দাবাজি ,নিজের পকেট ভরার রাজনীতি!এই কি কংগ্রেস সভাপতির কাজ?
দলের ভেতরে গণতন্ত্র নেই, তাই সোস্যাল মিডিয়া কে ব্যবহার করতে বাধ্য হলাম। আমাদের মত ছাত্র, যুব, প্রাক্তনীদের লড়াই চলবে।টিকিট চোর... গাদ্দি ছোড়
যারা ব্যর্থ—তারা নিজেরা সরে দাঁড়ান
না হলে কর্মীরাই সরাবে!
কংগ্রেস বাঁচাতে লড়াই চলবেই।
ভারতের জাতীয় কংগ্রেস জিন্দাবাদ।
বন্দেমাতরম।
.....বিনীত....
সাধারণ কংগ্রেস কর্মীবৃন্দ

__ ______ ______ _____ _____

“फंड चोर, टिकट चोर, गद्दी छोड़!”
“गद्दी छोड़ो, नहीं तो छुड़ाई जाएगी!” “टिकट चोरों का काउंटडाउन शुरू!” “अब और नहीं सहेंगे — अब कार्यकर्ता सड़क पर उतरेंगे!” “पार्टी बचाओ, भ्रष्टाचार हटाओ!”
अब और नहीं धांधली — अब कार्यकर्ता सड़क पर उतरेंगे! पार्टी बचाओ, भ्रष्टाचार हटाओ! कांग्रेस को बचाने के लिए लड़ाई जारी रहेगी! भारतीय राष्ट्रीय कांग्रेस जिंदाबाद!
वंदेमातरम्!

जिला अध्यक्ष... घर के अंदर बैठकर प्रियदा की कहानियां सुनाकर चुनाव नहीं जीते जाते।
बहुत टेबल पॉलिटिक्स कर ली, अब इसे बंद करें....
चुनाव जीतने के लिए सभी कार्यकर्ताओं से संपर्क करना होता है, क्षेत्र के लोगों के साथ जुड़ना होता है, सड़क पर उतरकर सरकार के खिलाफ आंदोलन करना होता है—
इस नाकारा जिला अध्यक्ष ने इनमें से कौन सा काम किया है?
साल भर पैसा इकट्ठा कर अपनी जेब भरने की सोच के साथ ही चुनाव लड़ा गया / उम्मीदवारों को खड़ा किया गया।
पहले कुमरो मालाकार ने पार्टी के नाम पर खूब पैसा कमाया और फिर तृणमूल में भाग गए।
अब जो वर्तमान में पार्टी चला रहे हैं—
जिम्मेदारी लेने के बाद से आज तक तृणमूल और बीजेपी के खिलाफ, निगम में, उत्तरकन्या में, जिले में, हर ब्लॉक में, हर क्षेत्र में, पंचायतों में, हर वार्ड में कितने आंदोलन किए हैं?
छी! अपनी असफलता पर शर्म नहीं आती?
चुनाव से पहले किस धांधली के लिए इस्तीफे का नाटक किया गया?
हर वार्ड में कमेटी क्यों नहीं है?
पार्टी कार्यकर्ताओं को सम्मान क्यों नहीं दिया जाता?
किसी को हटाकर, किसी को दबाकर जिले में राजनीति नहीं चलती—जो हो रहा है, उसे धांधली कहते हैं।
सुबह, शाम, रात—तृणमूल और बीजेपी के नेताओं के साथ इतनी दोस्ती किस स्वार्थ में?
ज्यादा उछल-कूद करेंगे तो मजबूर होकर सारे सबूत सोशल मीडिया पर तस्वीरों के साथ डालने पड़ेंगे....
अभी भी समय है—
उम्र हो गई है, सम्मान के साथ पद छोड़ दें...
वर्तमान अध्यक्ष ने पूरे साल क्या काम किया?
NOTA के खिलाफ उम्मीदवारों को जिताने के नाम पर और पार्टी के पैसे लूटने के लिए टिकट चोरों को जूते की माला पहनाकर सम्मानित किया जाए—
जगदीश भवन, विधान भवन और हर जिले के कार्यालय में।
ये लोग चुनावी फंड लूटने के मकसद से राजनीति कर रहे हैं।
जिले में कितने BLO नियुक्त किए गए थे?
हर बूथ पर पोलिंग एजेंट कहाँ थे?
उम्मीदवारों का चयन जिला अध्यक्ष ने किया...
और पूरे जिले में कांग्रेस उम्मीदवारों का NOTA से हारना—यह जिला अध्यक्ष की “उपलब्धि” है!
पंचायत चुनाव में भी इससे ज्यादा वोट मिलते हैं—ये लोग पार्टी पर कलंक हैं!
हर विधानसभा के लिए AICC से 10 लाख और 5 लाख अलग-अलग जिला अध्यक्ष को चुनाव खर्च के लिए दिए गए—
वो पैसा कहाँ गया?
किसको कितना मिला?
जवाब चाहिए! स्पष्ट हिसाब चाहिए, सबूत के साथ!
शुरुआत से ही गड़बड़ है!
पूरे पश्चिम बंगाल में लगभग यही स्थिति है—
खासकर उत्तर बंगाल में—
दार्जिलिंग, जलपाईगुड़ी, कूचबिहार, अलीपुरद्वार, दिनाजपुर—इन जिलों के अध्यक्षों को जूते की माला पहनाकर सम्मानित किया जाना चाहिए, साथ ही हमारे राज्य अध्यक्ष और AICC के दलालों समेत।
साल भर ये जिला अध्यक्ष तृणमूल और बीजेपी से संपर्क में रहते हैं, सेटिंग करते हैं।
कांग्रेस के राज्य अध्यक्ष से लेकर जिला नेता, जिला अध्यक्ष और टिकट चोर उम्मीदवार—
सबकी जमानत जब्त!
क्या वे खुद सम्मान के साथ इस्तीफा देंगे?
ज्यादातर उम्मीदवारों और जिला अध्यक्षों ने पैसा खर्च ही नहीं किया—
सिर्फ सेटिंग और अपनी जेब भरने की राजनीति!
क्या यही कांग्रेस अध्यक्ष का काम है?
पार्टी के अंदर लोकतंत्र नहीं है, इसलिए हमें सोशल मीडिया का सहारा लेना पड़ रहा है।
हम जैसे छात्र, युवा और पूर्व कार्यकर्ताओं की लड़ाई जारी रहेगी।
टिकट चोर... गद्दी छोड़!
जो असफल हैं—वे खुद हट जाएं,
नहीं तो कार्यकर्ता हटाएंगे!
कांग्रेस को बचाने की लड़ाई जारी रहेगी।
भारतीय राष्ट्रीय कांग्रेस जिंदाबाद।
वंदे मातरम्।.....विनीत......
साधारण कांग्रेस कार्यकर्तागण


जिला अध्यक्ष... घर के अंदर बैठकर प्रियदा की कहानियां सुनाकर चुनाव नहीं जीते जाते।बहुत टेबल पॉलिटिक्स कर ली, अब इसे बंद क...
06/05/2026

जिला अध्यक्ष... घर के अंदर बैठकर प्रियदा की कहानियां सुनाकर चुनाव नहीं जीते जाते।
बहुत टेबल पॉलिटिक्स कर ली, अब इसे बंद करें....
चुनाव जीतने के लिए सभी कार्यकर्ताओं से संपर्क करना होता है, क्षेत्र के लोगों के साथ जुड़ना होता है, सड़क पर उतरकर सरकार के खिलाफ आंदोलन करना होता है—
इस नाकारा जिला अध्यक्ष ने इनमें से कौन सा काम किया है?
साल भर पैसा इकट्ठा कर अपनी जेब भरने की सोच के साथ ही चुनाव लड़ा गया / उम्मीदवारों को खड़ा किया गया।
पहले कुमरो मालाकार ने पार्टी के नाम पर खूब पैसा कमाया और फिर तृणमूल में भाग गए।
अब जो वर्तमान में पार्टी चला रहे हैं—
जिम्मेदारी लेने के बाद से आज तक तृणमूल और बीजेपी के खिलाफ, निगम में, उत्तरकन्या में, जिले में, हर ब्लॉक में, हर क्षेत्र में, पंचायतों में, हर वार्ड में कितने आंदोलन किए हैं?
छी! अपनी असफलता पर शर्म नहीं आती?
चुनाव से पहले किस धांधली के लिए इस्तीफे का नाटक किया गया?
हर वार्ड में कमेटी क्यों नहीं है?
पार्टी कार्यकर्ताओं को सम्मान क्यों नहीं दिया जाता?
किसी को हटाकर, किसी को दबाकर जिले में राजनीति नहीं चलती—जो हो रहा है, उसे धांधली कहते हैं।
सुबह, शाम, रात—तृणमूल और बीजेपी के नेताओं के साथ इतनी दोस्ती किस स्वार्थ में?
ज्यादा उछल-कूद करेंगे तो मजबूर होकर सारे सबूत सोशल मीडिया पर तस्वीरों के साथ डालने पड़ेंगे....
अभी भी समय है—
उम्र हो गई है, सम्मान के साथ पद छोड़ दें...
वर्तमान अध्यक्ष ने पूरे साल क्या काम किया?
NOTA के खिलाफ उम्मीदवारों को जिताने के नाम पर और पार्टी के पैसे लूटने के लिए टिकट चोरों को जूते की माला पहनाकर सम्मानित किया जाए—
जगदीश भवन, विधान भवन और हर जिले के कार्यालय में।
ये लोग चुनावी फंड लूटने के मकसद से राजनीति कर रहे हैं।
जिले में कितने BLO नियुक्त किए गए थे?
हर बूथ पर पोलिंग एजेंट कहाँ थे?
उम्मीदवारों का चयन जिला अध्यक्ष ने किया...
और पूरे जिले में कांग्रेस उम्मीदवारों का NOTA से हारना—यह जिला अध्यक्ष की “उपलब्धि” है!
पंचायत चुनाव में भी इससे ज्यादा वोट मिलते हैं—ये लोग पार्टी पर कलंक हैं!
हर विधानसभा के लिए AICC से 10 लाख और 5 लाख अलग-अलग जिला अध्यक्ष को चुनाव खर्च के लिए दिए गए—
वो पैसा कहाँ गया?
किसको कितना मिला?
जवाब चाहिए! स्पष्ट हिसाब चाहिए, सबूत के साथ!
शुरुआत से ही गड़बड़ है!
पूरे पश्चिम बंगाल में लगभग यही स्थिति है—
खासकर उत्तर बंगाल में—
दार्जिलिंग, जलपाईगुड़ी, कूचबिहार, अलीपुरद्वार, दिनाजपुर—इन जिलों के अध्यक्षों को जूते की माला पहनाकर सम्मानित किया जाना चाहिए, साथ ही हमारे राज्य अध्यक्ष और AICC के दलालों समेत।
साल भर ये जिला अध्यक्ष तृणमूल और बीजेपी से संपर्क में रहते हैं, सेटिंग करते हैं।
कांग्रेस के राज्य अध्यक्ष से लेकर जिला नेता, जिला अध्यक्ष और टिकट चोर उम्मीदवार—
सबकी जमानत जब्त!
क्या वे खुद सम्मान के साथ इस्तीफा देंगे?
ज्यादातर उम्मीदवारों और जिला अध्यक्षों ने पैसा खर्च ही नहीं किया—
सिर्फ सेटिंग और अपनी जेब भरने की राजनीति!
क्या यही कांग्रेस अध्यक्ष का काम है?
पार्टी के अंदर लोकतंत्र नहीं है, इसलिए हमें सोशल मीडिया का सहारा लेना पड़ रहा है।
हम जैसे छात्र, युवा और पूर्व कार्यकर्ताओं की लड़ाई जारी रहेगी।
टिकट चोर... गद्दी छोड़!
जो असफल हैं—वे खुद हट जाएं,
नहीं तो कार्यकर्ता हटाएंगे!
कांग्रेस को बचाने की लड़ाई जारी रहेगी।
भारतीय राष्ट्रीय कांग्रेस जिंदाबाद।
वंदे मातरम्।.....विनीत......
साधारण कांग्रेस कार्यकर्तागण

টাকা দলের, দল আমাদের তাই এক এক পয়সার হিসাব চাই।*রাজ্যের বিভিন্ন বিধানসভা অঞ্চলে ও বুথে যাতে কংগ্রেসকে দেখা যায়, তাই ২৯...
30/04/2026

টাকা দলের, দল আমাদের তাই এক এক পয়সার হিসাব চাই।*

রাজ্যের বিভিন্ন বিধানসভা অঞ্চলে ও বুথে যাতে কংগ্রেসকে দেখা যায়, তাই ২৯৪টি কেন্দ্রে প্রার্থী দেওয়া হয়েছে। দেওয়া হয়েছে টাকাও , প্রার্থী পিছু ন্যূনতম ১০ লক্ষ টাকা এসেছে, অনেকের ক্ষেত্রে বেশিও। কিন্তু সেই টাকা সঠিক জায়গায় খরচ হয়েছে কি? পর্যাপ্ত পরিমাণে ফ্ল্যাগ, ফেস্টুন ও প্রচার করা হয়েছে? নাকি পার্টির দেওয়া টাকা পুরোটা হজম করে নেওয়া হয়েছে?
কোন স্তরের নেতৃত্বকে কত কাটমানি দিতে হয়েছে—সবটাই জানতে হবে আমাদের।

১২ মাস মাঠে-ময়দানে নিজের পকেটের টাকা খরচ করে দল করা আমাদের মতো সাধারণ কর্মীদের এই সব জানা দরকার। সামনে পৌরসভা ভোট—ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে যে সৈনিকরা লড়বে, তারা প্রায়শই অর্থের অভাবের সম্মুখীন হয়।
তাই আমাদের দাবি, সমস্ত প্রার্থী যেন প্রাপ্ত টাকার হিসাব দেন এবং বাকি থাকা টাকা ফিরিয়ে দেন। একটি “পৌরসভা ফান্ড” তৈরি করে সেখানে AICC-এর নজরদারিতে সেই অর্থ সংরক্ষণ করে রাখা হোক, এবং পৌরসভা/পঞ্চায়েত নির্বাচনে সেই টাকা স্বচ্ছভাবে খরচ করা হোক।
প্রত্যেকটা সাচ্চা কংগ্রেসের সৈনিকদের কাছে আবেদন—নিজ নিজ বিধানসভায় এই অভিযান শুরু করুন এবং এই টাকার হিসাব চান। মনে রাখবেন, এই টাকা দলের, দল আপনার; তাই হিসাব চাওয়া শুধু আপনার অধিকারই নয়, কর্তব্যও।
জয় হিন্দ, বন্দেমাতরম,
জাতীয় কংগ্রেস জিন্দাবাদ।
রাহুল গান্ধী জিন্দাবাদ।



https://www.facebook.com/share/p/1BTPxsDqXU/सुनील तीरके बाबू एक दिन भी इस पार्टी के लिए प्रचार में नहीं आए मतलब उसका सपो...
22/04/2026

https://www.facebook.com/share/p/1BTPxsDqXU/

सुनील तीरके बाबू एक दिन भी इस पार्टी के लिए प्रचार में नहीं आए मतलब उसका सपोर्ट नहीं है, यह पार्टी पूरे साल दिखाई नहीं देते हैं अभी आकर फायदा किया? जिसका खुद का पिताजी का सपोर्ट नहीं मिला उसको पब्लिक का सपोर्ट कैसे मिलेगा?

জেলা সভাপতি,কার্যকরী সভাপতিগণ এবং দলীয় প্রার্থীরা প্রত্যেকেই শ্বেতপত্র প্রকাশ করুক কার ভাগে কত টাকা হইল .....
সত্য ভাষণে প্রমাণিত হইবে সত্যই ইহাদের মেরুদন্ড আছে অন্যথায় .....
অভিনেতা জেলা সভাপতি পুনরায় কি গোসা করিয়া পদত্যাগ(অভিনয়) করিবেন, টাকার ভাগ কম পাইলে ?

जिला अध्यक्ष, कार्यकारी अध्यक्षगण और पार्टी के प्रत्याशी — सभी को श्वेत पत्र जारी करना चाहिए कि किसे कितना पैसा मिला।
सच्ची बात सामने आने पर ही साबित होगा कि सच में इनकी रीढ़ है, अन्यथा…
और यदि पैसों में हिस्सा कम मिला, तो क्या अभिनेता जिला अध्यक्ष फिर से नाराज़ होकर पदत्याग (अभिनय) करेंगे? 🎭

জয় হিন্দ
08/05/2025

জয় হিন্দ

Address

Kolkata

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SHREE GOPAL BHOG posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share