কিছুদিন আগেও রাজধানীতে প্রসিদ্ধ বগুড়ার দইয়ের সুনাম কে পূঁজি করে নানা ধরনের ভেজাল দই বাজারজাত হচ্ছিল। ফলে রাজাধাণীতে বগুড়ার দই এর নামে এক ধরনের বিরুপ প্রভাব সৃষ্টি হয় মানুষের মনে। বগুড়ার দই এ এখন আগের সেই স্বাদ নেই। বগুড়ার দই এখন ঢাকাতেই তৈরী হয়। এরকম আরো অনেক কিছু। যা ধীরে ধীরে এই ঐতিহ্যবাহী খাবারের সুনাম কে কলঙ্কিংত করছিল। ঠিক তখন বগুড়ার কিছু উদ্দোক্তা যারা রাজধানীতে বিভিণœ ভাবে প্রতিষ্ঠিত। তারা
এই প্রসিদ্ধ খাবারের সুনাম ধরে রাখতে রাজধাণীতে প্রসিদ্ধ বগুড়ার দই বাজারজাত করার সিদ্ধান্ত নেয়। আর এই দই বাজার জাত করার উদ্দেশ্য জন্ম হয় “সামান্তা ফুড কোড” এর। একজন নারী উদ্দোক্তা এই সাহসী পদক্ষেপ গ্রহন করেন। ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে রাজধানীর বিজয় স্মরনীতে যাত্রা শুরু করে “সামান্তা ফুড কোড-১”। পরবর্তীতে ২০১৫ সালের ২৬ মার্চ রাজধানীর কাজীপাড়া বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় যাত্রা শুরু করে “সামান্তা ফুড কোড-২”। রাজধাণীতে শুধু দই বাজারজাত করে একটি প্রতিষ্ঠান দিনের পর দিন পরিচালনা করা সম্ভব এই ধারনাও প্রতিষ্ঠিত করে সামান্তা ফুড কোড।
সামান্তা ফুড কোড এখন তাদের ২টি আউটলেট এ একই ধরনের দই সরবরাহ করে। যা সরাসরি বগুড়ার শেরপুর থেকে সরবরাহকৃত। স্বাদ ও মানে এখন সামান্তা ফুড কোড এর দই রাজধানীতে অদ্বীতিয়। এছাড়া তাদের পন্য তালিকায় রয়েছে ঘরে তৈরী উৎকৃষ্ট মানের ঘী। যার স্বাদ ও গন্ধই প্রমাণ করে তাদের বিশুদ্ধতা। ইতিমধ্য সামান্তা ফুড কোড তাদের পন্যর একটি বিশাল বাজার সৃষ্টিতে সচেষ্ট হয়েছে। রাজধানীর ভোজন রসিকদের কাছে তাদের অবস্থান তৈরী করেছে পন্যর গুনগত মান দিয়ে।