RR Bistro

RR Bistro The story of “First flusH” began out of our home backyard at Madarihat, North Bengal in March 17 "Welcome to our charming RR bistro!

Indulge in a delightful culinary experience with our carefully crafted dishes inspired by Traditional Indian , Continental & Korean flavors and beyond. Join us for cozy ambiance, delectable meals, and a curated selection of Mocktails . Whether you're seeking a quick Breakfast, lunch or a leisurely dinner, our friendly staff awaits to make your visit truly memorable. Bon appétit! 🍽️🍷
"

চিংড়ি মালাইকারির ইতিহাস অনুসন্ধান। এ বঙ্গের সবচাইতে জনপ্রিয় খাদ্য তালিকা কেউ যদি খোঁজ করে তাহলে সর্বপ্রথম এই চিংড়ি মালাই...
29/10/2024

চিংড়ি মালাইকারির ইতিহাস অনুসন্ধান।

এ বঙ্গের সবচাইতে জনপ্রিয় খাদ্য তালিকা কেউ যদি খোঁজ করে তাহলে সর্বপ্রথম এই চিংড়ি মালাইকারির কথাই মনে পরে। আমাদের যেকোনো উৎসবে আনন্দে এই চিংড়ি মালাই কারি পদটি থাকলে তার কদর আলাদা হয়ে থাকে। কচি ডাবের ভেতরের নরম শাস বেটে তার থেকে দুধ তৈরি করে এর সাথে আমাদের দেশীয় মসলা এবং চিংড়ি সহযোগে বাঙালির অতি সুস্বাদু রান্না হচ্ছে এই মালাই করি। কচি নারকেলের মিষ্টতা তার সঙ্গে বঙ্গ মসলা ঝালের সুনিপুণ মেলবন্ধন সত্যি অসাধারণ। সেই হেতু এর প্রথম আবিষ্কর্তা কে তার খোঁজতো অবশ্যই করা দরকার।

এই বিষয়টি নিয়ে বহু আগেই ভেবেছিলেন রাধাপ্রসাদ গুপ্ত মশাই। আরও অনেকে এ নিয়ে অনুসন্ধান করেছেন। যেমন বিজনবিহারী ভট্টাচার্য, বিপ্রদাস মুখোপাধ্যায়, প্রজ্ঞাসুন্দরী দেবী থেকে লীলা মজুমদার কে না এই মালাই করি আবিষ্কারকের সন্ধান করেননি। কেউ রেসিপি অনুসন্ধান করেছেন কেউ আবার এর শিকড়ের সন্ধান করার চেষ্টা করেছেন। তবে রাধাপ্রসাদ এধরণের খাদ্য পদ ‘রোজ মেরি ব্রিসেনডেনের’ বইতে সন্ধান পেলেন যার নাম, ‘ফ্রায়েড প্রন কারি’। কিন্তু সেটা প্রথম প্রকাশিত “South East Asian food in Australia” ১৯৭০ সালে। প্রজ্ঞাসুন্দরী দেবীর রেসিপি ‘আমিষ ও নিরামিষ আহার’ বই যদি অনুসন্ধান করি তাহলে সেটা ১৯০৫ সালে দিকে প্রকাশিত। তারও আগে বিপ্রদাস মুখোপাধ্যায় ‘প্রাক-প্রণালী’ ১৮৮৫ সালে দিকে রান্ধন বিষয় মালাই করি অনুরূপ পদ খোঁজ মেলে। এর আগের কোনো ঐতিহাসিক বইতে চিংড়ি মালাই করি অনুরূপ কোনো খাদ্য লিখিত আকারে পাওয়া যায় না। তাহলে কি ধরে নেবো এই চিংড়ি মালাই কারীর প্রথম অস্তিত্ব পাওয়া যায় ওই উনিশ শতকের দিকে?

ব্যাপারটি মোটেও সেরকম নয়। বাঙালি রান্নার প্রাচীন ইতিহাস সম্পর্কে বিস্তারিত লিখিত তথ্য খুব কম পাওয়া যায়। বিশেষ করে, কোনো নির্দিষ্ট রান্নার উৎপত্তি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য খুঁজে পাওয়া আরও কঠিন। অনেক বঙ্গীয় রান্নার মতো, চিংড়ি মালাইকারির রেসিপিও সম্ভবত প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে মৌখিকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। তাই লিখিত কোনো তথ্য না থাকায় এর সঠিক উৎপত্তি নির্ণয় করা কঠিন। আদি বাংলার ভৌগোলিক বিচার যদি করি তাহলে দেখতে পাবো দক্ষিণ বঙ্গীয় অঞ্চল সমূহ নারকেল গাছের প্রচুর প্রাচুর্য ছিল। আর এই নারকেলকে নানা ভাবে নানা রান্নাতে ব্যবহার করার প্রচল ছিল দক্ষিণ বঙ্গে। সেই হিসেবে বঙ্গীয় রন্ধন শৈলীতে নারকেলের ব্যবহার কোনো নতুন বিষয় নয়। প্রাকৃতিক নারকেল সঙ্গে দক্ষিণ বঙ্গের চিংড়ি প্রাচুর্য এবং আমাদের দেশীয় মসলা সাথে মিলে মিশে উপাদেয় খাবার যে তৈরি হবে এতে আচার্যের কিছু নেই।

এবার আসি চিংড়ি মালাই কারি নামকরণ নিয়ে। চিংড়ি ছাড়া ‘মালাই’ এবং ‘কারি’ এই দুটি নাম নিয়েই যত বিতর্ক। ‘মালাই’ শব্দের অর্থ হচ্ছে ঘন দুধ বা ক্ষীর যা এক ধরনের তঞ্চিত ননি। এটি ভারতীয় উপমহাদেশে উদ্ভূত, যা মূলত ভারতীয় উপমহাদেশীয় রন্ধনশৈলীতে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। কিন্তু কথা হল, মালাইকারিতে দুধ থাকে না। থাকে নারকেলের দুধ! তাকে কি তবে মালাই বলা হচ্ছে? এর দুই ধরনের ব্যাখ্যা হতে পারে প্রথম হচ্ছে এর গঠন এবং স্বাদ মালাইয়ের মতো লাগে, দৃতীয়টি হচ্ছে এর উৎপত্তির অবস্থান হিসেবে নাম। কিন্তু এর সপক্ষে যুক্তি মজবুত নয়।

ভারতীয় ঝোল বা তরকারি জাতীয় খাবারকে ইংরেজিতে ‘কারি’ বলা হয় আর এই কথাটা এসেছে সম্ভবত কারি পাতা থেকেই। এই কারি পাতার ব্যবহার প্রধানত ভারতের দক্ষিণ অঞ্চলে বেশি প্রচলিত। কেরল, তামিল এই সব অঞ্চলে নারকেল দুধ কারি পাতা সম্বলিত রন্ধন বহুল জনপ্রিয়। বিশেষ করে মালায়ালম (কেরালা) আমাদের মতো চিংড়ি, সামুদ্রিক মাছ, নারকেল দুধ এবং কারি পাতা সম্বলিত রান্নার প্রচলন আছে। আর এইরকম সদৃশ দেখেই সম্ভবত ইংরেজরা বাংলার এই রান্নার পদটিকে ‘মালয় কারি’ অর্থাৎ চিংড়ি মালাই করি বলতে শুরু করে। আমার উল্লিখিত কিছু বইয়ের সময় কাল ব্রিটিশ উপনিবেশ আমলেই ছিল। এটি সেরকম কোনো মজবুত উদাহরণ নয়। কিন্তু এটা বলা যেতেই পারে ব্রিটিশ দেড় আগে নির্দিষ্ট করে এই মালাইকারির নাম খুব একটা পাওয়া যায় না।

আরো একটি যুক্তি বাজারে প্রচলিত আছে তা হলো মালয় দ্বীপপুঞ্জে আমাদের এইরকম সদৃশ রান্না বহুল জনপ্রিয়, যেহেতু ভারতের দক্ষিণ অঞ্চলের সাথে মালয় দ্বীপপুঞ্জে যোগাযোগ ছিল তারাই এই ধরনের রান্না আমাদের দেশে আমদানি করে বলে এর নাম মালয় কারি প্রচলিত হয়েছে। কিন্তু এর সাথে বাংলার কোনো সরাসরি যোগ নেই বললেই চলে। আরো মজার ব্যাপার হচ্ছে এই একই ধরনের খাবার ব্রহ্মদেশ (মায়ানমার), থাইল্যান্ড, মালয়শিয়া, সিঙ্গাপুর এবং ইন্দোনেশিয়াতে রান্না করতে দেখা যায়। তাদের নাম আলাদা আলাদা দেশে আলাদা আলাদা হলেও ইংরেজদের দেয়া নাম ইংরেজিতে ‘কারি’ বলেই প্রচলিত।

চিংড়ি মালাই কারি নব্য নাম অনুমান হলেও কিন্তু এই সাদৃশ্য রান্না আমাদের বঙ্গে বহুকাল আগে থেকেই প্রচলিত ছিল। তাই নামে যাই হোক চিংড়ি মালাইকারির কোনো নির্দিষ্ট ইতিহাস খুঁজে পাওয়া যায় না, তবুও এই রান্নার স্বাদ এবং জনপ্রিয়তা বাঙালি সংস্কৃতির আজ একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই রান্নার ইতিহাস খোঁজ মানে হলো বাঙালি রান্নার ইতিহাসেরই একটি অংশ, যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে মৌখিকভাবে হস্তান্তরিত হয়ে আসছে বা প্রচলিত হয়ে

Collected

 #সিঙাড়া ঠাণ্ডা লুচি বারংবার ফেরত পাঠানোয় রাজবাড়ির হালুইকর অনুমতি চেয়েছিলেন রাজসভায় মিষ্টান্ন পাঠাতে। রাজচিকিৎসকের পরাম...
26/10/2024

#সিঙাড়া

ঠাণ্ডা লুচি বারংবার ফেরত পাঠানোয় রাজবাড়ির হালুইকর অনুমতি চেয়েছিলেন রাজসভায় মিষ্টান্ন পাঠাতে। রাজচিকিৎসকের পরামর্শে মধুমেহ রোগাক্রান্ত রাজা অগ্নিশর্মা হয়ে শূলে চড়ানোর হুকুম দিয়েছিলেন হালুইকরকে। অনেক অনুনয় বিনয় করে নিজের প্রাণ রক্ষা করেছেন হালুইকর। রাজা আদেশ দিয়েছেন - হালুইকরকে তিনরাত্রের মধ্যে দেশত্যাগ করতে।

দ্বিতীয় রাত্রে হালুইকরের স্ত্রী ঠিক করেছে দেশত্যাগের আগে একবার দেখা করবে রাজার সাথে। সেইমতো তৃতীয়দিন সকাল বেলা রাজদরবারে এসে প্রণাম জানালো স্বয়ং রাজামশাইকে। রাজসভায় আসার কারণ জিজ্ঞেস করায়, রাজাকে জানায় - সে নাকি এমনভাবে লুচি তরকারি করতে পারে, যা রাজা আধঘন্টা বাদে খেলেও গরম পাবেন। এজাতীয় লুচি এবং তরকারি নাকি কিছুক্ষণ বাদে খাওয়াই দস্তুর।

সন্দিহান রাজা কিঞ্চিৎ কৌতূহলী হয়ে হালুইকরের স্ত্রীকে পাঠালেন পাকশালে। জানিয়ে দিলেন যখন রাজসভা থেকে খবর যাবে তৎক্ষণাৎ পাকশাল থেকে খাবার পৌঁছনো চাই। হালুইকরের স্ত্রী মৃদু হেসে মহারাজকে জানিয়েছিলো - খাদ্যদ্রব্য রাজসভায় তৎক্ষণাৎই পৌঁছবে, কিন্তু অনুগ্রহ করে তিনি যেন কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে খান - অন্যথায় মহামান্য রাজকীয় জিহ্বা পুড়ে যেতে পারে। বিস্মিত মহারাজের সামনে দিয়ে হাস্যমুখে হালুইকরের স্ত্রী চলে গেল পাকশালে।

রাজ-পাচক আলুর তরকারি তৈরি করে পাকশালে দাঁড়িয়ে কাঁপছেন, হুকুম এলেই লুচি ভাজতে হবে। ময়দার তাল মাখা রয়েছে হাতের সামনে। হালুইকরের স্ত্রী পাচককে কটাক্ষ করে বসলো ময়দার তাল নিয়ে। লেচি কেটে লুচি বেলে, কাঁচা ময়দার ভেতর লুচির জন্য তৈরি সাধারণ তরকারি ভরে দিয়ে, সমভুজাকৃতি ত্রিভুজের গড়ন বানিয়ে আড়ষ্ঠ রাজ পাচকের সামনে নিজের আঁচল সামলে শুরু করলো চটুল গল্প।

রাজাজ্ঞা আসতেই তরকারির পুর ভর্তি দশটি ত্রিভুজাকৃতির লুচির ময়দা ফুটন্ত ঘি ভর্তি কড়ায় ফেলে দিয়ে, নিমেষের মধ্যে সোনালী রঙের ত্রিভুজগুলি তুলে নিয়ে স্বর্ণথালায় সাজিয়ে নিজেই চললো রাজসভায়।

মহারাজ এরূপ অদ্ভুত দর্শন খাদ্যবস্তু দেখে স্তম্ভিত। হালুইকরের স্ত্রী অত্যন্ত বিনীতভাবে জানালো - খাদ্যদ্রব্যটির নাম সমভুজা। মহারাজ যেন সম্পূর্ণ বস্তুটি মুখে না ঢুকিয়ে একটি কামড় দিয়ে দেখেন - ঠাণ্ডা না গরম এবং অনুগ্রহ করে স্বাদটি জানান।

মহারাজ স্বাদ জানাননি। তিনি তিনছড়া মুক্তো মালা খুলে হালুইকরের স্ত্রীয়ের হাতে দিয়েছিলেন। রাজবাড়ির হালুইকরের দণ্ডাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছিলেন। প্রায় ছ'মাস পর হেসে উঠেছিলেন মহারাজ, শান্তি পেয়েছিলো তামাম প্রজাকুল।

মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্র। ১৭৬৬ সালে কৃষ্ণনগরের রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের রাজসভার রাজ-হালুইকর, কলিঙ্গ তথা বর্তমান ওড়িষ্যা থেকে আগত গুণীনাথ হালুইকরের ষষ্ঠপুত্র গিরীধারী হালুইকরের স্ত্রী ধরিত্রী দেবী আবিষ্কার করেছিলেন সিঙ্গাড়া।

শাক্ত সাধক, পরবর্তিকালে মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি রামপ্রসাদ, স্বয়ং সন্ধ্যাহ্নিক সেরে প্রতিসন্ধ্যায় বসতেন একথালা সিঙ্গাড়া নিয়ে।

দোলপূর্ণিমার সন্ধ্যায়, মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্রের দরবার থেকে বাইশটি সুসজ্জিত হস্তী ভেট নিয়ে গিয়েছিলো উমিচাঁদের কাছে - বাইশটি স্বর্ণথালা ভর্তি বাইশশোটি সিঙ্গাড়া।

ভারতীয় খাদ্য হিসেবে সিঙ্গাড়ার সাথে রবার্ট ক্লাইভের প্রথম সাক্ষাৎ হয়, এই মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রেরই সৌজন্যে।

সিঙ্গাড়ার জন্য ইতিহাস স্বীকৃতি দিয়েছে মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্রকে। নাম ভুলে গেছে তাঁর প্রধান হালুইকরের স্ত্রী ধরিত্রী বেহারার।

ইংরিজিতে বলে, কমন সেন্স মেকস্ আ ম্যান আনকমন। ধরিত্রীদেবী সাধারণ বুদ্ধি খাটিয়ে আবিষ্কার করেছিলেন এই অসাধারণ খাদ্যদ্রব্যটির, যেটি সেই ১৭৬৬ সাল থেকে ছড়িয়ে পড়েছে বাংলা তথা সারা ভারতে।

ঐতিহাসিকদের মতে, এর বহু আগে, নবম শতাব্দীতে পারস্যের অধিবাসীরা যব এবং ময়দার তালের সঙ্গে গাজর কড়াইশুঁটি রসুন ও মাংস মেখে সেঁকে খেতো, যাকে বর্তমান সিঙ্গাড়ার জনক হিসাবে ধরা হলেও, সুদূর পারস্য থেকে ভারতবর্ষে এসেও তাঁরা ময়দার তালে মাংসের কুঁচি ঢুকিয়ে সেঁকেই খেতেন। এরও বহুপরে তাঁরা ভারতবর্ষের উত্তরপূর্ব উপকূলে বিভিন্ন মশলা সহযোগে তৈরি আলুর তরকারি, ময়দার ভেতর ঢুকিয়ে ঘিয়ে ভাজার পদ্ধতিতে চমৎকৃত হ'ন।

ডায়বেটিক পেশেন্টদের ঘন ঘন খিদে পায়। চিকিৎসাবিজ্ঞান উন্নত হয়েছে। ডাক্তাররা বলছেন, অনেকক্ষণ অন্তর একসাথে প্রচুর পরিমানে না খেয়ে, ক্যালোরি মেপে কিছুক্ষণ অন্তর অল্পসল্প খাবার খেতে। কিন্তু সেযুগে ডাক্তারবাবুদের হৃদয় ছিলো বিশাল। মধুমেহ রোগীরা তখন তেল ঘি মশলা, ভাজা খেলেও তাঁরা রাগ করতেন না। নিশ্চিতভাবেই আজকের যুগে ডাক্তার বাবুরা আঁতকে উঠবেন যদি দেখেন কোনো ডায়াবেটিক পেশেন্ট প্রতিঘন্টায় সিঙ্গাড়া ওড়াচ্ছেন, তবু, আঁটকানো যায়নি সিঙ্গাড়াকে।

শহুরে অভিজাত পরিবারের বৈঠকখানায় মোটা গদির সোফায় বসা অতিথির থালাই হোক বা প্রত্যন্ত গ্রামের জরাজীর্ণ চায়ের দোকানের সামনে নড়বড়ে বাঁশের বেঞ্চে রাখা তেলচিটে কালো ভাঙ্গা বেতের চুবড়ি - বিকেল সাড়ে চারটেই হোক বা সকাল পৌনে দশটা, মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের প্রধান হালুইকরের স্ত্রীর উদ্ভাবনটি সর্বত্র সর্বদা সর্বগামী।

যা রাজসভায় রাজ-সম্মুখে পরিবেশিত হয়, তার কৌলীন্য প্রশ্নাতীত হবে - এই তো স্বাভাবিক।

ভাষাবিদদের মতে, সমভুজা--> সম্ভোজা--> সাম্ভোসা--> সামোসা।
মতান্তরে, সমভুজা--> সম্ভোজা--> সিভুসা--> সিঁঙুরা(নদীয়ার কথ্যভাষার প্রভাবে)--> সিঙ্গাড়া।

সংগৃহীত।

6-Day Tour Itinerary: Sittong - Lamahatta - Darjeeling (January)Day 1: Arrival & SittongUpon arrival at NJP, transfer to...
21/10/2024

6-Day Tour Itinerary: Sittong - Lamahatta - Darjeeling (January)

Day 1: Arrival & Sittong

Upon arrival at NJP, transfer to Sittong via Kurseong, enjoying some sightseeing along the way.

In the afternoon, explore the Orange Garden.

Overnight stay at Anugrah Homestay, Sittong.

Day 2: Kurseong Sightseeing

After breakfast, head for a full day of Kurseong sightseeing. Visit Dowhill, Chimney, Bagora, Eagle’s Crag, and the Netaji Museum.

Overnight stay at Anugrah Homestay, Sittong.

Day 3: Sittong to Lamahatta

After breakfast, leave for Lamahatta. En route, visit Ahaldara, Namthing Pokhari, Mahaldiram Tea Garden, Jogighat, and Rabindra Bhavan in Mungpoo.

Enjoy lunch and take a relaxing walk to Lamahatta Eco Park, famous for its Sacred Pond.

Overnight stay at Bomzan Homestay, Lamahatta.

Day 4: Lamahatta Sightseeing

After breakfast, visit Takdah Orchid Centre, Rongli Tea Garden, Tinchuley Viewpoint, Monastery, and Gumbadara Viewpoint.

Overnight stay at Bomzan Homestay, Lamahatta.

Day 5: Darjeeling Day Tour

After breakfast, explore Darjeeling. Visit popular spots such as Ghoom, Batasia Loop, Himalayan Mountaineering Institute (HMI), Zoo, and Darjeeling Mall.

Overnight stay at Bomzan Homestay, Lamahatta.

Day 6: Return Journey

After breakfast, drive back to NJP via Lepchajagat, Gopaldhara Tea Estate, Pashupati Fatak, Simana View Point, and Mirik Lake.

End of the tour with unforgettable memories.

---

No. of People: 7 Adults minimum



Inclusions:

Meals from Day 1 lunch to the last day breakfast

Accommodation in 2/3 Standard Non-AC rooms at Sittong and Lamahatta

Transportation in a Sumo/Bolero for the entire trip, including pickup, drop-off, and sightseeing

Exclusions:

Anything not mentioned in the itinerary

Mineral water

Toll/Parking fees

Entry fees and permission charges

---

This itinerary provides a great mix of scenic beauty, cultural experiences, and relaxation, perfect for your January getaway!

Tour Itinerary ---Day 1:Pick up from NJP and drop off at Maribong via Lepchajagat.Overnight stay at Maribong Homestay.Da...
09/10/2024

Tour Itinerary

---

Day 1:
Pick up from NJP and drop off at Maribong via Lepchajagat.
Overnight stay at Maribong Homestay.

Day 2:
After breakfast, visit Gopaldhara Tea Garden and Mirik Lake.
Overnight stay at Maribong Homestay.

Day 3:
After breakfast, head to Lamahatta with Darjeeling sightseeing along the way.
Overnight stay at Lamahatta Bomzan Homestay.

Day 4:
After breakfast, proceed to Sittong with sightseeing stops at Ahaldara, Namthing Pokhari, Mahaldiram Tea Garden, Jogighat, Mungpoo Rabindra Bhavan, and more.
Overnight stay at Sittong Anugrah Homestay.

Day 5:
After breakfast, depart for NJP with sightseeing at Kurseong.
Your trip ends with beautiful memories!

Charges:

Minimum 6 persons

Inclusions:

Meals: Breakfast, lunch, evening tea/snacks, and dinner (from Day 1 lunch to Day 5 breakfast)

Rooms: Standard Non-AC rooms at all locations

Transport: 1 non-AC Sumo/Bolero and 1 non-AC small car for pick-up, drop-off, and all sightseeing

Exclusions:

Anything not mentioned in the itinerary

Mineral water

Entry fees

Toll/Parking charges

Enjoy a hassle-free, scenic journey!

পায়ে পায়ে  12 থেকে 13 তে  ..... এখন  তিনি  teenager
16/09/2024

পায়ে পায়ে 12 থেকে 13 তে ..... এখন তিনি teenager

Here are some popular Japanese food recipes you might enjoy:1. Sushi: A classic Japanese dish made with vinegared rice a...
15/09/2024

Here are some popular Japanese food recipes you might enjoy:

1. Sushi: A classic Japanese dish made with vinegared rice and various toppings, such as raw fish, vegetables, and seafood, wrapped in seaweed.

2. Ramen: A Japanese noodle soup made with pork or chicken broth, wheat noodles, and various toppings like pork slices, boiled eggs, and green onions.

3. Tempura: Battered and fried seafood or vegetables, often served with a side of rice and dipping sauce.

4. Yakitori: Grilled chicken skewers, often flavored with salt or teriyaki sauce.

5. Tonkatsu: A breaded and fried pork cutlet, often served with shredded cabbage and a side of rice.

6. Udon: Thick wheat flour noodles served in a hot broth or with dipping sauce.

7. Onigiri: Triangular-shaped rice balls, often filled with tuna, salmon, or pickled plum.

8. Bento: A Japanese-style meal consisting of a balance of carbs, protein, and vegetables, often served in a box.

9. Miso Soup: A traditional Japanese soup made with miso paste, dashi (broth), and ingredients like tofu, seaweed, or green onions.

10. Teriyaki Chicken or Salmon: Grilled or pan-fried meat glazed with a sweet teriyaki sauce.

কফিশপে অর্ডার করার সময় অনেকেই কনফিউশানে থাকে, কোন কফি অর্ডার করবে! কফি বিভিন্ন স্বাদের হতে পারে। বিভিন্ন কম্বিনেশনে এর র...
11/09/2024

কফিশপে অর্ডার করার সময় অনেকেই কনফিউশানে থাকে, কোন কফি অর্ডার করবে! কফি বিভিন্ন স্বাদের হতে পারে। বিভিন্ন কম্বিনেশনে এর রয়েছে ভিন্ন স্বাদের অনন্য বাহার।

এসপ্রেসো কফি।
এটাই প্রায় সব ধরনের কফির বেসিক লিকার তাই এটা বুঝলেই কফির ৫০% জানা হয়ে যায়। ট্রেডিশনাল কফিশপগুলোতে এসপ্রেসো মেশিন দিয়েই এসপ্রেসো তৈরি হয়। রোস্টেড কফিবীন গ্রাইন্ড করে, কফি মেশিনের পোর্টাফিল্টারে দেওয়া হয়। পানির বাষ্প ঐ কফি গুঁড়ার মধ্যে দিয়ে পাস করলেই যে কফি তৈরি হয় , তাই হচ্ছে এসপ্রেসো (Espresso)। এভাবে কফি তৈরিকে বলে ব্রু (brew)। কফির টেস্ট ব্রু এর সময়, স্টিম এবং কফিডাস্টের রেশিও এবং স্টিমের তাপমাত্রার অনেক কিছুর উপরেই নির্ভর করে৷ যত গ্রাম কফি বিন পোর্টারফিল্টারে দেওয়া হবে ঠিক ততটুকু (এম এল) স্টিম দিতে হবে তার বেশি বা কম করা যাবে না। প্রতিটা কফিতে সাধারনত ২০ গ্রাম বিন দেওয়া হয়। মনে রাখবেন ২০ গ্রাম মানে সিঙ্গেল শর্ট, এবং ৪০ গ্রাম মানে ডাবল শর্ট বা ডোপিও।
এসপ্রেসো কফি হার্ডকোর কফিলাভারদের জন্য। পারসোনাল সাজেসন থাকবে, এটা খুবই ছোট চুমুকে খেতে হবে। যত ছোট চুমুতে খাবেন ততই এর টেস্ট ভালোলাগে।

Americano,
এমেরিকানো কফিতে এসপ্রেসো সাথে ডাবল পরিমান গরম পানি দেওয়া হয়। রুচি ভেদে পানির পরিমান কম বেশি হতে পারে। এটা আমার বিশেষ ফেবারিট। এর সাথে চিনি ব্যবহার না করাই ভালো। ধীরে ধীরে অনেক সময় নিয়ে পান করুন। রিফ্রেশমেন্টের জন্য এবং মন ভালো করতে বেস্ট কফি।

Cappuccino,
ক্যাপাচিনোতে দুধ এবং এসপ্রেসো এবং ফোম 2:1:1 রেশিওতে দিতে হবে। এসপ্রেসো ২০ গ্রাম হলে দুধ হবে ৪০ গ্রাম । এটা গর্জিয়াস ধরনের কফি। এর সাথে বারিস্তারা অনেক ডিজাইন কারিগরি করে সাজিয়ে দিতে পারে৷ জনপ্রিয়তায় এটা সবচাইতে এগিয়ে।

Latte,
এই কফিতে কফি এবং দুধের রেশিঃ 1:3 বা তারও বেশি হতে পারে। ক্যাপাচিনোর সাথে লাতের পার্থক্য ফোম ব্যবহার। এটা আমার ভেরি ভ্যাবারিট। কেউ কেউ এতে ডাবল শর্ট এসপ্রেসো পছন্দ করে। কফিতে যারা মিল্ক নিতে চায় তাদের জন্য লাতো বেইজ কফি । অকারন ক্রিম ফোম দিয়ে কফির স্বাদকে নষ্ট করেনা৷ মাস্ট ট্রাই।

Mocha
মকার বৈশিষ্ট্য হলো এতে 1:1:1 রেশিওতে কফি, চকলেটের এবং দুধ ধাকে। যারা এরোমেটিক হার্ড কফি পছন্দ করে কিন্তু ডাবল শর্টের ক্যাফেইন এড়াতে চায় তারা এটা পছন্দ করে। এর স্বাদ অনেক স্মুথ। যারা দিনের পর দিন ক্যাপুচিনো খাচ্ছে তাদের এটা ট্রাই করতে বলবো। পারসোনাল সাজেসনে বলবো, এই কফিতে চিনি নিলেই স্বাদ একদম ফল করে। ডার্ক চকলেটের স্বাদ যাদের ভালোলাগে এটা তাদের পছন্দ হবেই।

Espresso, Latte, Machiato, Mocha কফিতে আইস এবং ঠাণ্ডা দুধ মিক্স করলেই Iced Cappuccino, Iced Latte, Iced Mocha হয়ে যায়। এছাড়াও হাজার রকমের কফি আছে। যারা কফি তৈরির উপরে পড়াশুনা করে দক্ষ কফি মেকার হয় তাদের বলে বারিস্তা। কফি বানানো একটি শিল্প। যদিও আধুনিক মেশিন আসাতে এটা তৈরি অনেক সহজ হয়ে গেছে তবু হাইটেক মেশিনে কফি তৈরিতেও দরকার দক্ষতা। আর দরকার ভালো বিন। সাধারনত দু ধরনের বিন ব্যবহার হয়। অ্যারাবিকা আর রোবাস্তা। এরাবিকা কফি অতী সুস্বাদু, এতে ক্যাফেইনের পরিমান কম থাকে যদিও দাম একটু বেশি, অপর দিকে রোবাস্তা কফি কড়া ধাঁচের।

কমদামি এমেচার মেশিন দিয়ে এবং নরমাল বিন দিয়ে, অদক্ষ হাতে, ভালো কফি তৈরির চিন্তা করাও পাপ।
ব্রাজিলের একটি প্রবাদ আছে, "ভালো কফি পাপীদের জন্য নয়!"

Credit: aladiner cherag

সংগৃহীত পোস্ট

09/09/2024

সিদ্ধান্ত ব্যক্তিগত।

Essential Kitchen KnowledgeFridge Temperature: 0°C to 5°CCold Room Temperature: 0°C to 5°CDeep Freezer Temperature: -18°...
07/09/2024

Essential Kitchen KnowledgeFridge Temperature: 0°C to 5°CCold Room Temperature: 0°C to 5°CDeep Freezer Temperature: -18°C or belowThawing (Running Water): 0°C to 5°CBuffet Temperature: 63°C or aboveReheating Temperature: 75°C or aboveHot Food Serving Temperature: 65°CCold Food Serving Temperature: 0°C to 5°CTandoor Snacks Temperature: 200°C to 220°CTandoor Max Temperature: Up to 480°C (900°F)Sanitization & Safety
11. R.O Water PPM: Varies
12. Vegetable Sanitization: 25 PPM Chlorine
13. Chopping Board Sanitization (Non-Vegetarian): 100 PPM Bleach
14. Chopping Board Sanitization (Vegetarian): 50 PPM Bleach
15. Hand Wash: 5-10 PPM Chlorine
16. Danger Zone: 5°C to 63°CWaste Segregation
17. Dustbin Segregation:
1. Dry
2. Wet
3. MetalTypes of Washing in a Hotel Kitchen
18. Floor Cleaning
19. Dish Washing
20. Hot Plate Cleaning
21. Pot WashingChopping Board Color Coding
22. Brown: Cooked Meat
23. Green: Vegetables & Fruits
24. Red: Raw Meat
25. Blue: Raw Fish
26. Yellow: Poultry
27. White: Dairy Products & Bakery
28. Purple: Allergen Products

আজ লুচি উপাখ্যান শোনাবো আপনাদের, লুচি আমাদের বঙ্গে অত্যন্ত জনপ্রিয় সহযোগী খাবার। বাঙালির ক্লাসিক খাবার গুলির মধ্যে লুচি...
09/08/2024

আজ লুচি উপাখ্যান শোনাবো আপনাদের, লুচি আমাদের বঙ্গে অত্যন্ত জনপ্রিয় সহযোগী খাবার। বাঙালির ক্লাসিক খাবার গুলির মধ্যে লুচি অন্যতম

ময়দা দিয়ে তৈরি এই ফুলে ওঠা গোলাকার ভাজা পদটি বাঙালির সকালের জল খাবার, অতিথি আপ্যায়ন থেকে পুজোর প্রসাদ সবেতেই এর উপস্থিতি চোখে পরে। বিশেষ করে, দুর্গাপূজার সময় লুচির জনপ্রিয়তা যেন আদি অন্ত প্রাণ। "লুচি এই সংগত বাঙালি যতদিন বাঁচিয়া থাকিবে ততদিন থাকিবে।"

লুচি ও কষা মাংস, লুচি ও আলু চচ্চড়ি, লুচি ও ছোলার ডাল, লুচি ও আলুর দম; লুচি, ছোলার ডাল ও সন্দেশ এবং লুচি ও রসগোল্লা আরো আরো অনেক নাম যা শুধু বাঙালির ঘরেই সম্ভব। আমাদের বাঙালি মননে বিশুদ্ধ লুচি মানে তার রং সাদা হওয়া চাই। শেফ অঞ্জন চট্টোপাধ্যায়ের মতে "বাঙালির মানসে লুচির একটা ভিসুয়াল আইডেন্টিটি রয়েছে। তার থেকে বিচ্যুতি হলে ক্ষমা নেই। তাই লুচির রং লালচে হলে বিশুদ্ধবাদী বাঙালি ভোজনরসিকদের কাছে তা কখনই গ্রহণীয় নয়।"

আমাদের এই লুচির উৎপত্তি সম্পর্কে বিভিন্ন মতবাদ রয়েছে। কেউ কেউ বলেন, সংস্কৃত শব্দ 'লোচক' থেকে লুচি শব্দটি এসেছে। আবার কেউ কেউ বলেন, হিন্দি শব্দ 'লুচ' থেকে এই নামটি এসেছে। একাদশ শতকে পাল যুগের বিখ্যাত চিকিৎসক চক্রপাণি দত্ত রচিত 'দ্রব্যগুণ' গ্রন্থে লুচির বর্ণনা পাওয়া যায়। তিনি লিখেছেন, 'সুমিতায়া ঘৃতাক্তায়া লোপ্‌ত্রীং কৃত্বা চ বেল্লয়েৎ। আজ্যে তাং ভর্জয়েৎ সিদ্ধাং শষ্কুলী ফেনিকা গুণাঃ।।' যার বাংলা অর্থ হল, 'গম চূর্ণকে ঘি দিয়ে মেখে, লেচি করে বেলে, গরম ঘিয়ে ভেজে তৈরী হয় শষ্কুলী, যার গুণ ফেনিকার মত।' শষ্কুলী লুচির আদি রূপ। পাল যুগে তিন প্রকার শষ্কুলী বা লুচি প্রচলিত ছিল - খাস্তা, সাপ্তা ও পুরি। ময়ান দিয়ে ময়দার লেচি বেলে তৈরি হত খাস্তা, ময়ান ছাড়া ময়দার লেচি বেলে তৈরি হত সাপ্তা, ময়দার পরিবর্তে আটা ব্যবহার করলে তাকে বলা হত পুরি। ১৮৫৪ সালে রামনারায়ণ তর্করত্ন রচিত 'কুলীন কুলসর্বস্ব' গ্রন্থে লুচিকে উত্তম ফলারের সর্বপ্রথম উপাদান হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। আবার ১৯০৯ সালে প্রজ্ঞাসুন্দরী দেবী প্রকাশিত "আমিষ ও নিরামিষ আহার" রান্নার বইতে এই লুচির উল্লেখ নেই কিন্তু খাস্তা কচুরি উল্লেখ আছে।

পাল যুগের খাস্তা লুচিই আবহমান বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় নোনতা খাবার লুচি। আর সেই যুগের আটার লুচিই আজ উত্তর ভারতের জনপ্রিয় খাবার পুরি। লুচিতে কোনো পুর থাকে না। সাধারণভাবে আটার লুচি বা পুরিতেও কোনো পুর থাকে না। লুচির সমগোত্রীয় পুর দেওয়া নোনতা খাবার গুলো হল ডালপুরি, কচুরি ও রাধাবল্লভী।

এই বঙ্গে ভৌগোলিক অবস্থানের সাথে লুচির প্রকারভেদ লক্ষ্য করা যায় এবং সেটা বিশেষ ভাবে লক্ষণীয়। কলকাতা থেকে দূরবর্তী জেলাগুলোয় লুচির আকৃতি বড়, এবং সেই আকৃতি কলকাতার দিকে অগ্রসর হলেই ক্রমশই কমতে থাকে। গ্রাম বাংলায় প্রচলিত লুচির ব্যাস ছয় থেকে আট ইঞ্চি। কলকাতায় প্রচলিত লুচির ব্যস তিন থেকে চার ইঞ্চি।

উচ্চারণে ঘটিদের মধ্যে কথ্য ভাষায় লুচিকে 'নুচি' বলা হয় আর ঘটি-বাঙাল বাক্য যুদ্ধে বাঙালরা ঘটিদের লুচির এহেন উচ্চারণকে ব্যঙ্গ করে থাকেন

সংগৃহীত

ইউরোপে শিল্পবিপ্লবের সময় শ্রমিকদের উপরে অমানুষিক কাজের বোঝা চেপে বসে ছিল ।এমন কী তাদের কাজের ফাঁকে টিফিন খাবার সময়টুকুও,...
30/07/2024

ইউরোপে শিল্পবিপ্লবের সময় শ্রমিকদের উপরে অমানুষিক কাজের বোঝা চেপে বসে ছিল ।এমন কী তাদের কাজের ফাঁকে টিফিন খাবার সময়টুকুও,সময় অপচয় বলে মনে করা হোত।শ্রমিকরা বেশিরভাগ অপুষ্টির শিকার ছিল।১৮৬৯সালে সুইজারল্যান্ডের জুলিয়াস ম্যাগী এমন এক খাবার বাজারে নিয়ে আসেন,যা পুষ্টিকর,সুস্বাদু,তৈরী করতে ও খেতে বেশ কিছুটা কম সময় লাগে।তবে এর আগে প্রায় দুই বছর ধরে ম্যাগী নিয়ে বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা চালাতে হয় জুলিয়াস কে।বাজারে আসার পরে ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে #ম্যাগী।বিশেষত মহিলা শ্রমিকদের,সারাদিন পরিশ্রমের পরে বাড়ী ফিরে আবার রান্না করা থেকে অনেকতাই মুক্তি মেলে।প্রথম ও দ্বিতীয় বি শ্ব যু দ্ধের সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক বাঁধা বিপত্তি এলেও,মিলিটারিদের মধ্যে ও ম্যাগী বেশ জনপ্রিয়তা পায়।১৯৪৭ সালে #নেসলে কম্পানী ম্যাগী অধিগ্রহণ করে।তারপর থেকে বিশ্বের জনপ্রিয়তম খাবারে পরিণত হয় ম্যাগী-টু মিনিট নুডুলস।এখনো ৮ থেকে ৮০ সকলের কাছে অন্যতম পছন্দের খাবার এটি ।

সংগৃহীত

29/07/2024

কলকাতায় কোথায় কি বিশেষ খাবার পাওয়া যায় :

১) নিউ মার্কেট - নিজাম'স এর কাঠি রোল ও বটী কাবাব !
২) ধর্মতলা নিউ আলিয়া - মাটন স্পেশাল বিরিয়ানী, মাটন টিক্কা, মটন স্টিউ, ফিরনি ও হালিম।
৩) পার্ক স্ট্রিটে পিটার ক্যাট - চেলো কাবাব !!
৪) ডেকার্স লেন চিত্ত দার দোকান - রুমালি রুটি + চিকেন ভর্তা, চিকেন আর মাটন্ স্ট্যু।
৫) শোভাবাজার - বিডন স্ট্রীটের এলেন কিচেন - প্রন কাটলেট , চিকেন স্টিক !!
৬) শোভাবাজার মেট্রো স্টেশন আর গ্রে স্ট্রীটের ক্রসিংয়ে মিত্র ক্যাফে - ব্রেন চপ , ব্রেন স্যুপ, টোস্ট, ফিস ফ্রাই এবং কবিরাজি !!
৭) পার্ক সার্কাস রয়াল - মাটন বিরিয়ানি + চিকেন আর মাটন চপ !!
৮) বাঙালি বুফে - ৬ বালিগঞ্জ প্লেস !!
৯) কলেজ স্ট্রিট প্যারামাউন্ট - ডাব সরবত
আর কালিকা - বিভিন্ন রকম চপ !!
১০) মিষ্টি - বলরাম মল্লিক , নকুড় , পুটিরাম , গাঙ্গুরাম !!
১১ ) দ্যা ভোজ কোম্পানী অবশ্যই নতুন ব্রাঞ্চ টা!
১২) বিবেকানন্দ রোডের কাছে বিধান সরণীর ওপর স্বামিজীর বাড়ির উল্টো ফুটে চাচার !হোটেলের ফিস ফ্রাই আর মাটন্ কাটলেট।
১৩) শ্যামবাজারে ভূপেন বোস অ্যাভিনিউয়ে মণীন্দ্র কলেজের উল্টো দিকের গলিতে গৌরীমাতা সরণীতে মামুর দোকানের ( বড়ুয়া এ্যান্ড দে ) মাটন্ প্যান্থারাস্ আর ব্রেইজড্ কাটলেট।
১৪) গিরীশ পার্ক মেট্রো স্টেশনের (পশ্চিম পাড়ে) ঠিক পাশেই নিরঞ্জন আগারের মাটন্ চপ ও লিভার কষা।
১৫) হেদুয়ার মোড়ে বসন্ত কেবিনের এবং দক্ষিনে লেক মার্কেটের কাছে রাদু বাবুর দোকানের চা এবং চপ, কাটলেট।
১৬) হাতিবাগানে টাউন স্কুলের উল্টো দিকের ফুটপাথে মালঞ্চর কবিরাজী কাটলেট।
১৭) কলেজ স্ট্রীটে পুঁটিরামের কচুরী।
১৮) প্যারামাউন্টের সরবত ।
১৯) কপিলা আশ্রমের সরবত!
২০) রয়্যালের মটন চাঁপ।
২১) সিরাজের বিরিয়ানি।
২২) সাবিরের রেজালা।
২৩) স্যাঙ্গিভ্যালি রেস্তরাঁর চপ, কাটলেট।
২৪) সিমলার নকুড়ের সন্দেশ।
২৫) ফড়িয়াপুকুরে সেন মহাশয়ের বাবু সন্দেশ।
২৬) ভবানীপুরের শ্রীহরির লুচি/ কচুরী আর পাতলা ছোলার ডাল।
২৭) বাগবাজার নবীন দাশের রসগোল্লা ।
২৮) শ্যামবাজার স্ট্রীটের চিত্তরঞ্জনের রসগোল্লা ও মধুপর্ক।
২৯) শ্যামবাজারের স্ট্রিট ভবতারিণীর রসগোল্লা ।
৩০) ফড়িয়াপুকুরে অমৃতের দই।
৩১) বাগবাজারে পটলার দোকানের তেলেভাজা আর কচুরী।
৩২) নিউটাউন বাস স্ট্যান্ডে বিরিয়ানী বার - বিরিয়ানী, চাপ, রেজালা, কাঠি রোল।
৩৩) নিউ মার্কেট এর নাহুম্স এর বেকারী
৩৪) পার্ক স্ট্রিট ন্যাচারালস এর টেন্ডার কোকোনাট আইসক্রিম।
৩৫) কলেজ স্ট্রিট কফি হাউসের আড্ডা সহযোগে কফি।
৩৬) বউবাজার জাংশনে ভিমনাগের সন্দেশ
৩৭) স্কুপের ড্রাইফ্রুট আইসক্রিম ।
৩৮) এসপ্লানেড মোড়ের কেসি দাসের রসগোল্লা
৩৯) আওধের বিরিয়ানি ।
৪০) রিপন স্ট্রিটের জামজামের বিফ বিরিয়ানি ও মালাই।
৪১) গুপ্তা সুইটস এর ক্যাডবেরি সন্দেশ।
৪২) কস্তুরীর কচু পাতা বাটা চিংড়ি ।
৪৩) সল্টলেকের চার্নক সিটির ডাব চিংড়ি ।
৪৪) ভজহরি মান্নার নলেন গুড়ের আইসক্রিম।
৪৫) সিদ্ধেশ্বরী আশ্রমের বাঙালি খাদ্যসামগ্রী।
৪৬) খিদিরপুরের "ইন্ডিয়া" এর কাচ্চি বিরিয়ানি, গলৌটি কাবাব, চিকেন চাপ ও তন্দুরি।
৪৭) এম জি রোড বড়বাজার দেশবন্ধু মিষ্টান্নর সীতাভোগ ও সিঙাড়া।
৪৮) দমদমের হাজির মাটন বিরিয়ানি আর মালাই কাবাব।
৪৯) আগমনীর লাল ক্ষীর দই আর সরভাজা।
৫০) গড়িয়ার ফুটব্রিজের নীচের লাল আটার ফুচকা চুরমুর ও মোমো।
৫১) লেকটাউনে জয়া সিনেমা হলের উলটো দিকে চিকেন রোল।
৫২) বিরাটী মোড়ে ভোরের আলোর রসগোল্লা।।
৫৩) সিকিম হাউসের মোমো, পর্ক শাপটা।
৫৪) কালিঘাটে আপনজনের ফিশ চপ, ফিস ওরলি, মাটনের পুর ভরা আর কিমা মোগলাই।
৫৫) ফ্রেন্ডস্ এর চীজ ওনিয়ন ধোসা ।
৫৬) মাদ্রাস টিফিনের ধোসা।
৫৮) গড়িয়াহাট ক্যাম্পারির চিকেন কাটলেট ।
৫৯) গড়িয়াহাট দাস কেবিনের মোগলাই ।
৬০) হাজরা মোড় ক্যাফের পুডিং, চিকেন স্টু, কাটলেট, ফিস ফ্রাই।
৬১) করিমস এর বিরিয়ানি ও তন্দুরি পদ।
৬২) টেরিটিবাজার ছাত্তাওলা গলির চাইনিজ: তুং নাম।
৬৩) নন্দলালের কচুরী ও ছোলার ডাল।
৬৪) বোহেমিয়ান এর ফিউশান ফুড - গন্ধরাজ জোলেপ্, চিলি পিকল্ চীজ বেকড্ ক্রাব সংগে কলমী গ্রীণস।
৬৫) স্পাইসক্রাফ্ট এর ফিউশান ফুড - দাজাজ চারমৌলা, বীয়ার ক্যান টেম্পুরা ফিশ, জ্যাক ডানিয়েলস্ মৌশে।
৬৬) কাবুল কোলকাতার মটন রোশ, চিকেন সিজি।
৬৭) মোকাম্বো রেস্তরাঁর বেকড্ ক্রাব ও মিক্সড গ্রীলড্ প্লাটার।
৬৮) খিদিরপুর ফ্যান্সির পাশে ঠেলাগাড়ির বিফ হালিম।
৬৯) নিউ মার্কেট টিপু সুলতান মসজিদের পাশে ফালুদা।
৭০) ডেকার্স লেনের অগ্রণী গলিতে ম্যাংগো লস্যি
৭১) জ্যাকারিয়া স্ট্রিট সুফিয়া- নিহারি, হালিম।
৭২) জ্যাকারিয়া স্ট্রিট দিল্লি সিক্স- পেয়ারে কাবাব, শিরমল, আফগানি কাবাব।
৭৩) জ্যাকারিয়া স্ট্রিট হাজি লিয়াকত- মুসকত হালুয়া
৭৪) জ্যাকারিয়া স্ট্রিট হাজি আলাউদ্দিন- হালুয়া ও গুলাব জামুন।
৭৬) জ্যাকারিয়া স্ট্রিট আডামস্ - সুতলি কাবাব ।
৭৭) জ্যাকারিয়া স্ট্রিট বোম্বে হোটেল- বিফ চাপ।
৭৮) মানজিলাৎ ফতিমা - আওধি কুজিন।
৭৯) নিউ মার্কেট এর রালিস্ এর কুলফি।
৮০) শ্যামবাজারের মেট্রো গেট - লস্যি ।
৮১) চাইনিজ: বারবিকিউ ( ফ্লেভারস ওফ চায়না), চায়নাটাউন ( কাফুলক), নমনম ( সল্টলেক)।
৮২) সি ফুড: সান্তাস ফানটাসিয়া, ফিউসন ফানটাসিয়া ।
৮৩) শ্যামবাজারের রুপা- মটন কষা।
৮৪) শ্যামবাজারের তৃপ্তির মোমো।
৮৫) আহিরিটোলা- ভূতনাথ লিট্টি।
৮৬) আহিরিটোলা সাধুর চা।
৮৭) সিটি সেন্টারের কাছে চৌরাসিয়া - পাওভাজি ও চাট।
৮৮) হাজরা কাফে - পুডিং ।
৮৯) যতিনদাস পার্ক মেট্রোয় পণ্ডিত স্যান্ডউইচ।
৯০) নিউ মার্কেট এর ইন্দ্রমহল এর কুলফি।
৯১) বারুইপুরের "আসমা হোটেল"-এর চিকেন ।চাঁপ আর লাচ্ছা পরোটা।
৯২) শিয়ালদা শিশির মার্কেট লাগোয়া "কল্পতরুর" লস্যি।
৯৩) ঢাকুরিয়া স্টেশন লাগোয়া "জিহ্বার জল"-এর ধোকা ভাজা, সোয়াবিনের চপ্।
৯৪) রাজপুরের মঙ্গল দা'র দোকানের কচুরী।
৯৫) গড়িয়া মোড়ে "জিতেন মাহাতো"র চিকেন মোমো।
৯৬) সোনারপুর বৈকুণ্ঠপুর মোড়ের লুচির সাইজের ফুচকা।
৯৭) গড়িয়া "আমিনিয়া"র চিকেন চট্-পটা
৯৮) সোনারপুর স্টেশন লাগোয়া "সুবোল সাহা"র লস্যি
১০০) কলেজস্ট্রিট এ কল্পতরুর পান।

শেয়ার করে টাইম লাইনে রেখে দিন.. আমিও দিলাম, কাজের সময় কিছুই মাথায় আসেনা।
Collected

ছবি ইন্ডাকশনের খাওয়া দাওয়ার।

Address

MAdarihat
Berhampore
735220

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when RR Bistro posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to RR Bistro:

Share

Category